• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০, ০৩:২১ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
নোটিশ :
প্রতিটি জেলায় দক্ষ ও অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে বেতন-ভাতা আলোচনা সাপেক্ষ।আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন ০১৮৬৫-১১৫৭৮৭ আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বাগতম>> তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে সাথে থাকুন ধন্যবাদ।
বন্যায় পানি বিপদসীমার ওপরে, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

নিউজ ডেস্ক :টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৩৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে কয়েক হাজার পরিবার বন্যায় আক্রান্ত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ায় যাতায়াত ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সরেজমিনে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কষ্টাপাড়া, খানুরবাড়ি ও ভালকুটিয়াসহ গাবসারা, অজুর্না এবং নিকরাইলের বেশি কিছু এলাকায় গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।

জানা গেছে, ভূঞাপুরে যমুনা নদীর পানি দিন দিন বাড়তে থাকায় চরাঞ্চলসহ নতুন নতুন এলাকায় পানি উঠে পড়েছে। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার। এছাড়া বন্যার আগে যমুনা নদীর ভাঙনে ঘর-বাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে শতাধিক পরিবার। উপজেলার পুরো গাবসারা ইউনিয়ন, গোবিন্দাসী, অজুর্না, নিকরাইল ইউনিয়নের আংশিক এলাকাগুলোতে বন্যার পানি প্রবেশ করায় পানিবন্দী হয়েছে মানুষ। গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কষ্টাপাড়া, ভালকুটিয়া ও খানুরবাড়িতে বন্যার পানিতে গৃহবন্দী হয়ে পড়া মানুষজন চরম বিপাকে পড়েছে। ঘরে পানি উঠায় রান্না বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া পায়খানা ও টিউবওয়েল তলিয়ে যাওয়ায় খাবার পানি, গো-খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। সাপের ভয়তো রয়েছেই। বন্যায় গোবিন্দাসী হতে ভালকুটিয়া পর্যন্ত সড়ক ভেঙে ও তলিয়ে গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া বেশ কিছু এলাকায় রাস্তা ভেঙে গেছে। ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় নষ্ট হয়ে গেছে খেতের ফসল। তবে এখন পর্যন্ত কোন ধরনের সরকারি বা বেসরকারিভাবে সাহায্যে সহযোগিতা পায়নি বন্যা কবলিত মানুষজন।

কষ্টাপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যমুনা নদী ভাঙতে ভাঙতে বাড়ির অর্ধেক নদীতে বিলীন হয়েছে। বাকিটুকুতে নিজ উদ্যোগে প্লাস্টিকের বস্তায় মাটি ভরে বস্তা ফেলানো হয়েছিল। কিন্তু বন্যার কারণে ফেলানো বস্তা নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। বন্যার কারণে বাজার সদাই করতে পারছি না।’

বন্যা কবলিতরা জানান, বছরে দুইবার যমুনা নদীর পানি ঘর-বাড়িতে উঠে তলিয়ে যায়। এতে কষ্ট বেড়ে যায় বহুগুণে। সাহায্যে সহযোগিততো দুরের কথা কেউ খোঁজ নেয় না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. নাসরীন পারভীন জানান, এ উপজেলায় ভাঙন কবলিত পরিবারের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তাদের জন্য এ পর্যন্ত কোন ত্রাণ বরাদ্দ পাইনি। তবে এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।bd24live

ফেসবুকে আমরা