মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন

মহেশখালীর মানুষ কয়লা বিদ্যুৎ নিয়ে আতংকে দিন কাটাচ্ছে

রকিয়ত উল্লাহ
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৭১

মহেশখালীতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সেখানে বড় ধরনের পরিবেশগত বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। সেখান থেকে যে দূষিত পদার্থ বের হবে, তা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো কক্সবাজার সহ আশেপাশের এলাকায় । যার কারণে মারাত্মক ভাবে ক্যান্সারের ঝুঁকিতে পড়বে মহেশখালী সহ কক্সবাজারের মানুষের। এদিকে কিছু দিন আগে মহেশখালী কৃতি সন্তান ড. সলিমুল্লাহ স্যারের এক টিভি টকশোতে কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে যে রকম আলোচনা করছে তা মহেশখালী সহ কক্সবাজারের মানুষের মধ্যে একধরনের আতংক কাজ করতেছে। তারা এতদিন কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য মহেশখালীতে বসবাস করতে পারবেনা সেটা সম্পর্কে অজ্ঞ ছিল।কিন্তু তারা এখন কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মহেশখালীতে থাকতে পারবেনা সেই ভাবনায় আতংকে দিন কাটাচ্ছে মহেশখালীর সাধারণ মানুষ। মহেশখালীর সাধারণ মানুষ এখন নেতাদেরকে দায়ী করতেছে। তারা বলেন আমরা উন্নয়ন চাই কিন্তু সেই উন্নয়নের কারণে আমরা প্রিয় মহেশখালীতে থাকতে না পারলে সেই উন্নয়ন এর দরকার নাই। মহেশখালী প্রকৃতির ভরপুর একটা এলাকা যেখানে চিংড়ি, পান ও লবণ উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত ওই এলাকা সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই এলাকার ওপর প্রায় ১২ লাখ ৩৫ হাজার মানুষের জীবিকা নির্ভরশীল। দেশে উৎপাদিত লবণের ৭০ শতাংশ আসে এই এলাকা থেকে। আর এখানে বছরে ৪ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকার মিষ্টি পান উৎপাদিত হয়।সবমিলিয়ে কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সবকিছু ধ্বংসের দিকে চলে যাবে। এদিকে মহেশখালী একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ। পাহাড় কেটে নানা ধরনের উন্নয়ন কর্মকান্ড চালাচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানি অথচ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা পাহাড় কেটে কোন উন্নয়ন নয় কিন্তু কে শুনে কার কথা। কোন কর্মকান্ডেই থেমে নেই। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাহাড় কাটার ভিডিও সহ প্রকাশ হলে ও কোন ধরনের কার্যকরি ব্যবস্থা নেই। এ অবস্থায় প্রকৃতিক ভরপুর মহেশখালী প্রায় ধ্বংসের দিকে। এ অবস্থা থেকে মহেশখালীকে বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর মানুষ সোচ্চার হচ্ছে বলে জানা যায়।এদিকে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি বলেন বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উপকূল অঞ্চলের উন্নয়ন করতে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে যে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে উপকূল সহ দেশের উন্নয়ন ঘঠবে। কিছু দিন ধরে কয়লাবিদ্যুৎ নিয়ে যে একটা নেতিবাচক কথা হচ্ছে সে-সম্পর্কে বলেন কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটবে না। বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ যেখানে জাইকার মত কোম্পানি কাজ করতেছে সেখানে পরিবেশের উপর যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।জাইকার প্রতি আমাদের বিশ্বাস রয়েছে তারপর ও আমরা পরিবেশ বিপর্যয় হয় এমন বিষয় গুলো নিয়ে সরকারের সাথে আলোচনা করব।

Loading...



শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..





(Registered at the Directorate of Information, Government of the People's Republic of Bangladesh) © All rights reserved © 2019 DailyCoxnews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com