সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পঞ্চম শ্রেণিতে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার প্রাপ্ত ১৩ বছরের নুর নাহার এখন গৃহবধূ! কক্সবাজার কবিতা চত্বর থেকে এক মাদক কারবারির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার বর্ণাঢ্য আয়োজনে “কিল্লার আন্দর ব্লাড ব্যাংক”র ৩য় বর্ষপূর্তি উদযাপন রোহিঙ্গা শরণার্থী পরিকল্পনায় সরকারের অবদান অন্তর্ভুক্ত করতে হবে খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি শুরু রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে ডাকাতদলের সশস্ত্র তৎপরতা উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের পশ্চিম চাকবৈঠা আসছেন আল্লামা হাবিবুর রহমান মিছবাহ (কুয়াকাটা )। যুবলীগ নেত্রী পাপিয়া দিনে হোটেল বিলই দিতেন আড়াই লাখ টাকা টেকনাফে গোলাগুলিতে এক মানবপাচারকারী নিহত

বড় দুঃসংবাদ পেলো প্রাথমিকে সদ্য উত্তীর্ণ শিক্ষকরা

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২০
  • ১৬

সদ্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ১৮ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ আপাতত আটকে গেল। শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত নীতিমালা অনুসারে নিয়োগ না দেওয়ার প্রশ্নে দায়েরকৃত রিটের ওপর রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। রুলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ঘোষিত চূড়ান্ত ফল কেন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার এই আদেশ দেয়।

আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি এই শিক্ষকদের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদানের কথা ছিল।

১০ দিনের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদেরকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়াও প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা, ২০১৩ অনুসরণ করে নতুন ফল কেন ঘোষণা করা হবে না রুলে তাও জানতে চেয়েছে আদালত।

নিয়োগ সংক্রান্ত নীতিমালায় উল্লেখিত কোটা অনুসরণ না করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন ভোলার শারমিন আক্তার সূর্য, শামীমা সুলতানাসহ ১৬ জন প্রার্থী।

রিটে বলা হয়, ঐ নিয়োগ বিধিমালার ৭ ধারায় বলা হয়েছে, এই বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদের ৬০ শতাংশ মহিলা প্রার্থী কর্তৃক পূরণ করতে হবে। ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা এবং ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থী দ্বারা পূরণ করতে হবে। কিন্তু উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সংখ্যা বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ শতাংশের স্থলে নিয়োগের জন্য ৪৭ শতাংশ নারী চূড়ান্ত হন। অন্যদিকে ৫৩ শতাংশ পুরুষ প্রার্থী। রিটকারী আইনজীবী বলছেন, এটা পুরোপুরি কোটার লঙ্ঘন।

Loading...

আদালতে আবেদনের পক্ষে আইনজীবী মো. কামাল হোসেন ও লোমাট আরা চৌধুরী এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার শুনানি করেন।

শুনানিকালে রিটকারী আইনজীবী মো. কামাল হোসেন বলেন, নিয়োগ সংক্রান্ত নীতিমালায় স্পষ্ট করে কোটার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে কোটা অনুসরণ না করেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যা আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত।

জবাবে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার বলেন, কোটায় যোগ্যপ্রার্থী না পাওয়ায় মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই।

এ পর্যায়ে আদালত বলেন, লাখ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছে। এর মধ্যে যোগ্য প্রার্থী খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে আদালতকে বলছেন। তাহলে এ বিষয়টি লিখিতভাবে জানান। এরপরই আদালত রুল জারির আদেশ দেয়।

গত বছরের ৩০ জুলাই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকার। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ প্রার্থী চাকরির জন্য আবেদন করেন। চার ধাপে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেপ্টেম্বর মাসে ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৫৫ হাজার ২৯৫ জন পাশ করেন।

গত ৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। এ পরীক্ষায় ৬১ জেলায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন। এর মধ্যে নারী ৮ হাজার ৫৭০ এবং পুরুষ ৯ হাজার ৫৭৭ জন। ভোলা জেলা থেকে নির্বাচিত হন ৩৪৪ জন। তাদের মধ্যে ১১৭ জন মহিলা।

আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি নতুন শিক্ষকদের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করতে বলা হয়েছে। ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি তাদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হবে। আর ১৯ ফেব্রুয়ারি নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের পদায়নের আদেশ জারি হবে। রিটকারী আইনজীবী বলেন, রুল বিচারাধীন থাকাবস্থায় যদি নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয় তাহলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..





(Registered at the Directorate of Information, Government of the People's Republic of Bangladesh) © All rights reserved © 2019 DailyCoxnews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com