সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পঞ্চম শ্রেণিতে জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার প্রাপ্ত ১৩ বছরের নুর নাহার এখন গৃহবধূ! কক্সবাজার কবিতা চত্বর থেকে এক মাদক কারবারির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার বর্ণাঢ্য আয়োজনে “কিল্লার আন্দর ব্লাড ব্যাংক”র ৩য় বর্ষপূর্তি উদযাপন রোহিঙ্গা শরণার্থী পরিকল্পনায় সরকারের অবদান অন্তর্ভুক্ত করতে হবে খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি শুরু রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে ডাকাতদলের সশস্ত্র তৎপরতা উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়নের পশ্চিম চাকবৈঠা আসছেন আল্লামা হাবিবুর রহমান মিছবাহ (কুয়াকাটা )। যুবলীগ নেত্রী পাপিয়া দিনে হোটেল বিলই দিতেন আড়াই লাখ টাকা টেকনাফে গোলাগুলিতে এক মানবপাচারকারী নিহত

আজ মিয়ানমার যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৪০

রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে যখন মিয়ানমার থেকে বিশ্ব সম্প্রদায় মুখ ফিরিয়ে ‍নিচ্ছে, ঠিক তখনই অবকাঠামো খাতে কোটি কোটি ডলারের বড় বিনিয়োগ চুক্তি করতে দেশটিতে সফরে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) দুই দিনের সফরে নেপিদো যাচ্ছেন তিনি। ১৯ বছরের মধ্যে তিনিই প্রথম কোনও চীনা প্রেসিডেন্ট হিসাবে দেশটিতে যাচ্ছেন। সফরের প্রথম দিনে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচির সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।  

 

মিয়ানমারের সংবাদ মাধ্যম ইরাবতি জানিয়েছে, দেশটির সেনা প্রধান মিন অং লাইংয়ের সঙ্গেও দেখা করবেন চীনের প্রেসিডেন্ট। তবে কোথায় এই বৈঠক হবে সে বিষয়ে জানা না গেলেও সেনা সদর দপ্তরে হচ্ছে না এটা নিশ্চিত। সফরে দেশটির সরকারি ও বিরোধী দলের নেতা, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রভাবশালী ভিক্ষুদের সঙ্গেও সাক্ষাতের কথা রয়েছে চীনের প্রেসিডেন্টের। পরে চীন-মিয়ানমার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান।

Loading...

রোহিঙ্গা প্রশ্নে মিয়ানমারকে যখন বিশ্বের অধিকাংশ দেশ দায়ী করছে এবং দেশটি যখন এই প্রশ্নে চাপের মুখে রয়েছে, ঠিক তখনই চীনের প্রেসিডেন্টের সফর নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের প্রেসিডেন্টের সফরকালে মিয়ানমারের রাখাইনের কায়াপিউতে চীনের সমুদ্র বন্দর নির্মাণ এবং সেখানেই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা বিষয়ে বেইজিং ও নেপিদোর মধ্যে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরের কথা রয়েছে।

মিয়ানমারের ভেতর দিয়ে ‘চায়না-মিয়ানমার ইকোনমিক করিডোর’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের সাথে চীনের সংযুক্তির পথ এবং চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনেসিয়েটিভ’-এর বিষটিকেও ভূ-রাজনৈতিক, নিরাপত্তা কৌশল, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং চীনের প্রভাব বলয় সৃষ্টির উদ্যোগ হিসেবেই বিবেচনা করছেন বিশ্লেষকরা।



শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..





(Registered at the Directorate of Information, Government of the People's Republic of Bangladesh) © All rights reserved © 2019 DailyCoxnews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com