বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘জুনে চালু হচ্ছে সিলেট-কক্সবাজার-চট্টগ্রাম ফ্লাইট’ 20 ফেব্রুয়ারি অগ্নিঝরা ‘একুশে’র  প্রতীক্ষায় ছিল পুরো জাতি কক্সবাজারের সাগর তীরে উঁচু স্থাপনা নয়: প্রধানমন্ত্রী চকরিয়ায় বসতভিটার বিরোধে দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, কলেজ ছাত্রীসহ আহত-২৪ শনিবার আসছেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী খতমে বোখারী অনুষ্ঠান না করার সিদ্ধান্ত নিল জামিয়া পটিয়া মাদরাসা। উহান হাসপাতালের পরিচালকও মারা গেলেন করোনাভাইরাসে কক্সবাজারে ঘুষের কোটি টাকাসহ সার্ভেয়ার আটক ফের সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিলো বিএসএফ চ্যারিটেবল মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি ২৩ ফেব্রুয়ারি

মিয়ানমার আদেশ মানবে?

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২০
  • ১৮

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা রুখতে ঐতিহাসিক আদেশ দিয়েছেন গত বৃহস্পতিবার। আদেশে মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে রক্ষায় বিশেষ পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে মিয়ানমার সরকারকে। একইসঙ্গে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেই বিষয়ে অগ্রগতিমূলক প্রতিবেদন চার মাসের মধ্যে আইসিজেতে জমা দিতে বলা হয়েছে। তবে সবার মনে একটি প্রশ্ন বড় করে দেখা দিয়েছে, ওই আদেশ যদি মিয়ানমার না মানে, তাহলে দেশটির জন্য কী হবে?

২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৃশংস অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। ওই অভিযানের মুখে প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয় ৭ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা। ওই অভিযানে হাজার হাজার মানুষ মারা যায়। গ্রামের পর গ্রামের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। রোহিঙ্গা মা–বোনদের ধর্ষণ করা হয়। মিয়ানমার সেনাদের এই অভিযানকে ‘জাতিগত নির্মূল’ অভিযান হিসেবে অভিহিত করেছে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধানী দল।

এই ঘটনায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ করে গত নভেম্বরে আইসিজেতে মামলা করে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। সেই মামলার অন্তর্বর্তী আদেশ দেন জাতিসংঘের ওই আদালত।

আইসিজের আদেশের বিষয়ে গ্লোবাল অ্যাকাউন্টিবিলিটি ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অব জুরিস্টের আইনি উপদেষ্টা ও সমন্বয়কারী কিংসলে অ্যাবোট বলেন, ‘গণহত্যা সনদমতে রোহিঙ্গাদের রক্ষায় মিয়ানমারকে বাধ্য করার জন্য বৃহস্পতিবারের আদেশ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। আদেশ মানতে মিয়ানমার আইনগতভাবে বাধ্য। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত সর্বোচ্চ আদালতের তৈরি করা আন্তর্জাতিক আইনের বাধ্যবাধকতা মানতে এই আদেশ দেশটির ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করবে।

রাখাইন রাজ্যের মানবাধিকার অবস্থা নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা আরাকান প্রজেক্ট নামের একটি সংগঠনের পরিচালক ক্রিস লেওয়া বলেন, এই ঘটনায় মিয়ানমার সরকার কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

কিংসলে অ্যাবোট বলেন, ‘আদালতের আদেশ কেবল রাষ্ট্রীয় বাধ্যবাধকতা নির্ধারণের বিষয়টি নিশ্চিতের কথা বলা হলেও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে একই সঙ্গে ফৌজদারি তদন্ত ও বিচারের বিষয়টি এখনো অবশ্যই রয়েছে। রোহিঙ্গা নিপীড়নের ঘটনার তদন্ত ও বিচার করতে মিয়ানমারকে যেহেতু খুব বেশি আগ্রহী হিসেবে দেখা যায়নি, তাই আন্তর্জাতিক জবাবদিহিমূলক প্রচেষ্টার জন্য এটা (আদেশ) খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের বিশ্লেষণ।

Loading...



শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..





(Registered at the Directorate of Information, Government of the People's Republic of Bangladesh) © All rights reserved © 2019 DailyCoxnews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com