বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘জুনে চালু হচ্ছে সিলেট-কক্সবাজার-চট্টগ্রাম ফ্লাইট’ 20 ফেব্রুয়ারি অগ্নিঝরা ‘একুশে’র  প্রতীক্ষায় ছিল পুরো জাতি কক্সবাজারের সাগর তীরে উঁচু স্থাপনা নয়: প্রধানমন্ত্রী চকরিয়ায় বসতভিটার বিরোধে দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, কলেজ ছাত্রীসহ আহত-২৪ শনিবার আসছেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী খতমে বোখারী অনুষ্ঠান না করার সিদ্ধান্ত নিল জামিয়া পটিয়া মাদরাসা। উহান হাসপাতালের পরিচালকও মারা গেলেন করোনাভাইরাসে কক্সবাজারে ঘুষের কোটি টাকাসহ সার্ভেয়ার আটক ফের সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিলো বিএসএফ চ্যারিটেবল মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি ২৩ ফেব্রুয়ারি

রোহিঙ্গা নিয়ে সুদূর ভবিষ্যতে সুসংবাদ দেওয়ার আশাবাদ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৩৯

রোহিঙ্গা ইস্যুতে কৌশলগত অবস্থানে বাংলাদেশ বর্তমানে ভালো আছে বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আপনারা অনেকেই জিজ্ঞাসা করবেন। এ ব্যাপারে আমাদের যে কৌশলগত অবস্থান তাতে মোটামুটিভাবে ভালো করছি। আমি আশা করছি যে, সুদূর ভবিষ্যতে আমি আপনাদের সুসংবাদ দেব’। মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগের দিন সোমবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যর্পণের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আশা করা যায়, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ শিগগিরই রাখাইন রাজ্যে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করবে এবং দ্রুত রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন শুরু করা সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার আলোচনায় অংশ নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি খুব ভাল করছে। তবে সামনে জলবায়ু পরিবর্তন, অবকাঠামো, আমলাতান্ত্রিক জটিলতাসহ কিছু চ্যালেঞ্জ আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘রাজস্ব আহরণে ঘাটতি আছে। মেটাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। সনাতন পদ্ধতিতে রাজস্ব আহরণ পদ্ধতি বদলাতে হবে’।

এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, “পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। বিনিয়োগ, রফতানি, রফতানির পরিধি বাড়ানো, প্রবাসে বাঙালিদের সেবার মান বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ‘পাবলিক ডিপ্লোম্যাসিতে’ও জোর দেওয়া হয়েছে।”

Loading...

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মহানুভবতা তার মেয়েও পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর হৃদয় তার পিতার মতো বিশাল। ১০০টি ইকনমিক জোন ও ২৮টি হাই-টেক পার্ক তিনি তৈরি করছেন। এগুলোতে বিনিয়োগ করার জন্য যথেষ্ট তাগাদা আসছে। তবে এখানে আমাদের নিজেদের একটি দুর্বলতা রয়েছে, যখন প্রস্তাবগুলো আসে তখন আমরা এত ধীরগতি ও সময় নেই যে কারণে অনেক সময় সেগুলো বেহাত হয়। এ ব্যাপারে সজাগ হতে হবে।’

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, আত্মনির্ভরশীল না হলে বিপদে পড়তে হবে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, এমনভাবে কাজ করতে হবে যাতে আগামী তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশ পেঁয়াজ রফতানি-কারক দেশ হয়। তিনি আরও বলেন, ভারত থেকে ৯০ শতাংশ পেঁয়াজ আমদানি করা হতো। এটি বছরের পর বছর হয়ে আসছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করে ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ২৫ অক্টোবরের পর পেয়াজ রফতানির বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য তাদের নিজস্ব বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে। তাদেরও পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। অতীতের যেকোনও সময়ের তুলনায় মানুষ ভালো আছে’। তিনি আরও বলেন, ‘অতি ধনী মানুষের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়ছে বাংলাদেশে। আয় ও সম্পদের বৈষম্য কমাতে ব্যবস্থা নিতে হবে’।



শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..





(Registered at the Directorate of Information, Government of the People's Republic of Bangladesh) © All rights reserved © 2019 DailyCoxnews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com