• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

রোহিঙ্গা নিয়ে সুদূর ভবিষ্যতে সুসংবাদ দেওয়ার আশাবাদ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

রিপোর্টার
আপডেট : বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
8055257d6be7121959760a9cc5383c64 5c417da490620 1

রোহিঙ্গা ইস্যুতে কৌশলগত অবস্থানে বাংলাদেশ বর্তমানে ভালো আছে বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আপনারা অনেকেই জিজ্ঞাসা করবেন। এ ব্যাপারে আমাদের যে কৌশলগত অবস্থান তাতে মোটামুটিভাবে ভালো করছি। আমি আশা করছি যে, সুদূর ভবিষ্যতে আমি আপনাদের সুসংবাদ দেব’। মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগের দিন সোমবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যর্পণের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আশা করা যায়, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ শিগগিরই রাখাইন রাজ্যে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করবে এবং দ্রুত রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন শুরু করা সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার আলোচনায় অংশ নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি খুব ভাল করছে। তবে সামনে জলবায়ু পরিবর্তন, অবকাঠামো, আমলাতান্ত্রিক জটিলতাসহ কিছু চ্যালেঞ্জ আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘রাজস্ব আহরণে ঘাটতি আছে। মেটাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। সনাতন পদ্ধতিতে রাজস্ব আহরণ পদ্ধতি বদলাতে হবে’।

এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, “পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। বিনিয়োগ, রফতানি, রফতানির পরিধি বাড়ানো, প্রবাসে বাঙালিদের সেবার মান বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ‘পাবলিক ডিপ্লোম্যাসিতে’ও জোর দেওয়া হয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মহানুভবতা তার মেয়েও পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর হৃদয় তার পিতার মতো বিশাল। ১০০টি ইকনমিক জোন ও ২৮টি হাই-টেক পার্ক তিনি তৈরি করছেন। এগুলোতে বিনিয়োগ করার জন্য যথেষ্ট তাগাদা আসছে। তবে এখানে আমাদের নিজেদের একটি দুর্বলতা রয়েছে, যখন প্রস্তাবগুলো আসে তখন আমরা এত ধীরগতি ও সময় নেই যে কারণে অনেক সময় সেগুলো বেহাত হয়। এ ব্যাপারে সজাগ হতে হবে।’

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, আত্মনির্ভরশীল না হলে বিপদে পড়তে হবে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, এমনভাবে কাজ করতে হবে যাতে আগামী তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশ পেঁয়াজ রফতানি-কারক দেশ হয়। তিনি আরও বলেন, ভারত থেকে ৯০ শতাংশ পেঁয়াজ আমদানি করা হতো। এটি বছরের পর বছর হয়ে আসছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করে ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ২৫ অক্টোবরের পর পেয়াজ রফতানির বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্য তাদের নিজস্ব বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে। তাদেরও পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। অতীতের যেকোনও সময়ের তুলনায় মানুষ ভালো আছে’। তিনি আরও বলেন, ‘অতি ধনী মানুষের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়ছে বাংলাদেশে। আয় ও সম্পদের বৈষম্য কমাতে ব্যবস্থা নিতে হবে’।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা