• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বাকঁখালী নদীর চরে বাদামের বাম্পার ফলন:বাদাম চাষির মুখে হাসি।

রিপোর্টার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
20200213 202042

শামীম ইকবাল চৌধুরী,নাইক্ষ্যংছড়ি::

বাদাম চাষে খরচ কম, লাভ বেশি। একই জমিতে বছরে দু’বার বাদাম চাষ করা সম্ভব। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দৌছড়ি ইউনিয়নের বাকঁখালী মৌজার পাহাড়ি এলাকায় নদীর তীরে এবারও বাদামের চাষ বেশি হয়েছে।
কয়েক জাতের বাদাম ফলনের মধ্য ত্রি-দানা, বিনা চিনা বাদাম-৭, এসব জাতের বাদাম চাষের দিকে বেশী ঝুঁকছে বাদাম চাষীরা। এসব জাতের বাদাম গুলো ভালো দাম পাওয়ার আশায় কৃষকের মুখেও হাসি ফুটেছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত বছর বাঁকখালী মৌজায় বাদামের চাষ হয়েছিল সাড়ে ৫ হেক্টর জমিতে। এবার চাষ হয়েছে ৭ থেকে সাড়ে ৭ হেক্টর জমিতে।

দৌছড়ি ইউনিয়নের বাকঁখালী গ্রামের একাধিক চাষি জানান, এক হেক্টর জমিতে বাদামের চাষ করতে সব মিলিয়ে খরচ হয় সর্বোচ্চ ৬০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা। বাদাম উৎপাদন হয় প্রায় ১১০ থেকে ১২০ মণ । বাজারে মণ প্রতি বাদামের মূল্য প্রায় ৩ হাজার ২ শত টাকা হিসেবে এক হেক্টর জমির উৎপাদনে সর্বমোট ৩,৪৫৬০০ টাকা মূল্য পাওয়ার আশা করছেন কৃষকেরা। তবে একই জমিতে বছরে দু’বার চাষ হয় বাদামের। ঠিকমতো বৃষ্টি হলে বাদামের চাষ খুবই ভালো হয়। গতবার বাদামে ভালো লাভ পেয়ে চাষিরা এবার বেশি করে বাদামের চাষ করেছেন।

বাদাম চাষি আব্দুল মোতালেব জানান, বাংলা সনের ভাদ্র মাসের শেষের দিকে বাদাম রোপণ করলে আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ণ, পৌষ মাসে অর্থাৎ চার মাসে বাদামের গাছ ও বাদাম বড় হয়। তখন বাদাম তারা ঘরে তুলে নিতে পারেন। বাদাম তোলার পর একই জমিতে পুনরায় বাদামের চারা রোপণ করা হয়। পৌষ মাসে বাদাম গাছের চারা রোপণ করলে ফালগুণ, চৈত্র, বৈশাখ শেষে জৈষ্ঠ্যের প্রথম দিকে দ্বিতীয় ধাপের বাদাম ঘরে তোলা যায়। এবারে ৪০শতকের মতো জমিতে বাদাম চাষ অন্যান্য শাকসবজি চাষ করা হয়েছে। ফলনও ভালো হয়েছে। দৌছড়ি ব্লকের দায়িত্বরত উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তার পরার্মশ ও সার্বিক সহযোগিতা অধিক লাভে মূখ দেখবো বলে আশাবাদী।

20200213 202114

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দৌছড়ি ইউনিয়নের বাকঁখালী মৌজার বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক হারে বাদাম চাষ করেছেন চাষিরা। এ ছাড়া দৌছড়ির পাইনছড়ি,ধর্মছড়া,বাহিরমাঠ ইত্যাদি এলাকায় বাদামের চাষ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারি কর্মকর্তা শিমুল কান্তি বড়ুয়া বলেন, ‘এবার বাদাম চাষে চাষিদের আগ্রহ বেড়েছে। উপজেলার দৌছড়ি ইউনিয়নের বাকঁখালী মৌজায় বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের মাটি, বাদাম উৎপাদনের জন্য উপযোগী। তাই এসব অঞ্চলের কৃষকরা এবার তামাক চাষের বদলে বাদাম, ভুট্টা ও তরমুজ চাষেই আগ্রহী বেশি।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা