বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘জুনে চালু হচ্ছে সিলেট-কক্সবাজার-চট্টগ্রাম ফ্লাইট’ 20 ফেব্রুয়ারি অগ্নিঝরা ‘একুশে’র  প্রতীক্ষায় ছিল পুরো জাতি কক্সবাজারের সাগর তীরে উঁচু স্থাপনা নয়: প্রধানমন্ত্রী চকরিয়ায় বসতভিটার বিরোধে দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, কলেজ ছাত্রীসহ আহত-২৪ শনিবার আসছেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী খতমে বোখারী অনুষ্ঠান না করার সিদ্ধান্ত নিল জামিয়া পটিয়া মাদরাসা। উহান হাসপাতালের পরিচালকও মারা গেলেন করোনাভাইরাসে কক্সবাজারে ঘুষের কোটি টাকাসহ সার্ভেয়ার আটক ফের সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিলো বিএসএফ চ্যারিটেবল মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি ২৩ ফেব্রুয়ারি

বাকঁখালী নদীর চরে বাদামের বাম্পার ফলন:বাদাম চাষির মুখে হাসি।

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৩১

শামীম ইকবাল চৌধুরী,নাইক্ষ্যংছড়ি::

বাদাম চাষে খরচ কম, লাভ বেশি। একই জমিতে বছরে দু’বার বাদাম চাষ করা সম্ভব। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দৌছড়ি ইউনিয়নের বাকঁখালী মৌজার পাহাড়ি এলাকায় নদীর তীরে এবারও বাদামের চাষ বেশি হয়েছে।
কয়েক জাতের বাদাম ফলনের মধ্য ত্রি-দানা, বিনা চিনা বাদাম-৭, এসব জাতের বাদাম চাষের দিকে বেশী ঝুঁকছে বাদাম চাষীরা। এসব জাতের বাদাম গুলো ভালো দাম পাওয়ার আশায় কৃষকের মুখেও হাসি ফুটেছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত বছর বাঁকখালী মৌজায় বাদামের চাষ হয়েছিল সাড়ে ৫ হেক্টর জমিতে। এবার চাষ হয়েছে ৭ থেকে সাড়ে ৭ হেক্টর জমিতে।

দৌছড়ি ইউনিয়নের বাকঁখালী গ্রামের একাধিক চাষি জানান, এক হেক্টর জমিতে বাদামের চাষ করতে সব মিলিয়ে খরচ হয় সর্বোচ্চ ৬০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা। বাদাম উৎপাদন হয় প্রায় ১১০ থেকে ১২০ মণ । বাজারে মণ প্রতি বাদামের মূল্য প্রায় ৩ হাজার ২ শত টাকা হিসেবে এক হেক্টর জমির উৎপাদনে সর্বমোট ৩,৪৫৬০০ টাকা মূল্য পাওয়ার আশা করছেন কৃষকেরা। তবে একই জমিতে বছরে দু’বার চাষ হয় বাদামের। ঠিকমতো বৃষ্টি হলে বাদামের চাষ খুবই ভালো হয়। গতবার বাদামে ভালো লাভ পেয়ে চাষিরা এবার বেশি করে বাদামের চাষ করেছেন।

বাদাম চাষি আব্দুল মোতালেব জানান, বাংলা সনের ভাদ্র মাসের শেষের দিকে বাদাম রোপণ করলে আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ণ, পৌষ মাসে অর্থাৎ চার মাসে বাদামের গাছ ও বাদাম বড় হয়। তখন বাদাম তারা ঘরে তুলে নিতে পারেন। বাদাম তোলার পর একই জমিতে পুনরায় বাদামের চারা রোপণ করা হয়। পৌষ মাসে বাদাম গাছের চারা রোপণ করলে ফালগুণ, চৈত্র, বৈশাখ শেষে জৈষ্ঠ্যের প্রথম দিকে দ্বিতীয় ধাপের বাদাম ঘরে তোলা যায়। এবারে ৪০শতকের মতো জমিতে বাদাম চাষ অন্যান্য শাকসবজি চাষ করা হয়েছে। ফলনও ভালো হয়েছে। দৌছড়ি ব্লকের দায়িত্বরত উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তার পরার্মশ ও সার্বিক সহযোগিতা অধিক লাভে মূখ দেখবো বলে আশাবাদী।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দৌছড়ি ইউনিয়নের বাকঁখালী মৌজার বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক হারে বাদাম চাষ করেছেন চাষিরা। এ ছাড়া দৌছড়ির পাইনছড়ি,ধর্মছড়া,বাহিরমাঠ ইত্যাদি এলাকায় বাদামের চাষ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারি কর্মকর্তা শিমুল কান্তি বড়ুয়া বলেন, ‘এবার বাদাম চাষে চাষিদের আগ্রহ বেড়েছে। উপজেলার দৌছড়ি ইউনিয়নের বাকঁখালী মৌজায় বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের মাটি, বাদাম উৎপাদনের জন্য উপযোগী। তাই এসব অঞ্চলের কৃষকরা এবার তামাক চাষের বদলে বাদাম, ভুট্টা ও তরমুজ চাষেই আগ্রহী বেশি।

Loading...



শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..





(Registered at the Directorate of Information, Government of the People's Republic of Bangladesh) © All rights reserved © 2019 DailyCoxnews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com