অসুস্থ থাকায় রিমান্ডে আনা হয়নি রিজেন্টের সাহেদকে | Daily Cox News
  • বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

অসুস্থ থাকায় রিমান্ডে আনা হয়নি রিজেন্টের সাহেদকে

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০
Screenshot 20200818 132504

হঠাৎ অসুস্থ বোধ করায় রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেওয়া হয়েছে।

যে কারণে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) রিমান্ডে তার জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না। পদ্মা ব্যাংকের (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক) অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় এদিন তাকে দ্বিতীয় দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা ছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের জনসংযোগ (পরিচালক) কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য রাইজিংবিডিকে বলেন, সাহেদ অসুস্থ। যতটুকু জানি তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। যে কারণে আজ রিমান্ডে আনা হবে না।

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় সাহেদ করিমকে সাত দিনের রিমান্ডের প্রথম দিন সোমবার (১৮ আগস্ট) তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। ওইদিন দুপুরে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে দুদক কার্যালয়ে নিয়ে জেরা করা হয়।

এর আগে গত ১০ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েস সাত দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন সাহেদের। তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আদালতে আবেদন করেন দুদকের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ।

তার আগে গত ২৭ জুলাই সাহেদ ও বাবুল চিশতীসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ওই মামলার এজাহারে বলা হয়, রিজেন্ট হাসপাতালের জন্য পদ্মা ব্যাংক বা সাবেক ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান কর্পোরেট শাখা থেকে ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে এমআরআই মেশিন ক্রয়ের জন্য দুই কোটি টাকা ঋণের জন্য আবেদন করেন মো. সাহেদ। অথচ ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা ও ক্রেডিট রিক্স গ্রেডিং নিরূপন না করেই ফারমার্স ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি মো. মাহবুবুল হক চিশতী ঋণ অনুমোদন করেন। পরে ওই বছরের ১৫ জানুয়ারির ২১তম সভায় সাহেদের অনুকূলে দুই কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন হয়। যা পে-অর্ডারের মাধ্যমে এবং এমআরআই মেশিন ক্রয় করা হয়েছে এমন জাল কাগজপত্র দেখিয়ে ২১ জানুয়ারি শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের উত্তরা মহিলা শাখার মাধ্যমে দুই কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়।

তবে শর্তানুযায়ী ১ কোটি টাকার এফডিআর করতে হয় সাহেদকে। ঋণ নেওয়ার পর কোনো কিস্তি পরিশাধ না করায় ঋণ হিসাবটি অনিয়মিত হওয়ার কারণে ব্যাংকের কাছে লিয়েন থাকা ওই এফডিআর থেকে এক কোটি টাকা সমন্বয় করা হয়। আর বাকি ১ কোটি টাকা আনাদায়ী থেকে যায়। যা সুদ-আসলসহ ২ কোটি ৭১ লাখ টাকা হয়েছে।

সাহেদ ঘুষবাবদ ৩৫ লাখ টাকা বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমেটেড নামের প্রতিষ্ঠানের হিসাব নম্বরে (হিসাব নং-০১১১১০০০০২৩৬৩) জমা করেন

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা