ওসি প্রদীপ দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের মামলার প্রস্তুতি | Daily Cox News
  • রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ১০:১৬ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম :
একাকিত্বকে টার্গেট করে কলেজ শিক্ষিকাকে একের পর এক ধর্ষণ ৪৫ লাখ টাকা ছিনতাই করে কক্সবাজার ভ্রমণ, পুলিশ ধরল যেভাবে মহানবী (স.) কে কটূক্তি: ফ্রান্সের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশি হ্যাকারদের হামলা গৃহবধূকে তুলে নিয়ে চেয়ারম্যান-মেম্বার মিলে দলবেঁধে ধর্ষণ! অপহরণকারীদের ছেড়ে দিল পুলিশ, ওসিসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে পুনঃতদন্তের নির্দেশ বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন প্রেমিকা তাহিরপুরে জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় জাতীয় স্যানিটেশন ও হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩, শনাক্ত ১৩০৮ কাফনের কাপড় পরে থানায় আমরণ অনশনে রায়হানের মা

ওসি প্রদীপ দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের মামলার প্রস্তুতি

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০
Screenshot 20200818 144225

ওসি প্রদীপ দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের মামলার প্রস্তুতি
প্রায় ৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে বরখাস্তকৃত টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ এবং তার স্ত্রী চুমকি কারণের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়-২ প্রদীপের সম্পদ অনুসন্ধান এবং প্রাথমিক তদন্ত সম্পন্ন করে মামলা দায়েরের অনুমোদনের জন্য ঢাকায় প্রতিবেদন পাঠিয়েছে।

ঢাকা থেকে অনুমোদন মিললেই চট্টগ্রামে এই মামলা দায়ের করা হবে। দুদক চট্টগ্রাম-২ এর উপ-পরিচালক মাহবুবুর রহমান রাইজিংবিডিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদক চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় সূত্র জানায়, ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয় মূলত ২০১৮ সাল থেকে। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ২০ এপ্রিল ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রীর সম্পদের হিসাব দাখিলের জন্য নোটিশ প্রদান করা হলে একই বছরের জুন মাসে ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রীর সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। এই সম্পদ বিবরনীর আলোকে দীর্ঘ অনুসন্ধানে দুদক প্রদীপ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রায় ৪ কোটি টাকার বেশি জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে।

১৯৯৫ সালে পুলিশ বাহিনীতে এসআই পদে চাকুরি পাওয়ার পর থেকেই মূলত ওসি প্রদীপ অবৈধ সম্পদ অর্জনে আত্মনিয়োগ করেন। তার সম্পদ দৃশ্যমান হতে থাকে ২০০২ সাল থেকে। দুদক সূত্র জানায়, ওসি প্রদীপের সব সম্পত্তিই তার স্ত্রী চুমকির কারণের নামে। যার কোন বিশ্বাসযোগ্য জ্ঞাত আয়ের উৎসই নেই। চুমকী কারণের নামে ৪ কোটি ৪৪ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৯ টাকার সম্পদ থাকার প্রমাণ পেয়েছে দুদক।

এর মধ্যে তিনি পারিবারিক ব্যয়সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে খরচ করেছেন ২১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। চুমকি কারণের পূর্বের সঞ্চয়, উপহার, বাড়িভাড়া থেকে বৈধ আয় হিসেবে ৪৯ লাখ ১৩ হাজার ২৩৪ টাকার সম্পদ পাওয়া যায়। বৈধ আয় বাদ দিলে চুমকীর নামে মোট তিন কোটি ৯৫ লাখ ৫ হাজার ৬৩৫ টাকার অবৈধ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। এটা তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে সম্পদ ক্রয় করে স্ত্রীর নামে রেখেছেন বলে দুদক অনুসন্ধানে তথ্য পেয়েছে।

দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয় ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের তদন্ত সম্পন্ন করে মামলার অনুমোদের জন্য গত ১২ আগস্ট ঢাকায় প্রেরণ করেছে। ঢাকা থেকে অনুমোদন মিললে চট্টগ্রামে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে বলে দুদক

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা