ব’ন্দি থেকেও ভোগাচ্ছেন সাহেদ | Daily Cox News
  • বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ব’ন্দি থেকেও ভোগাচ্ছেন সাহেদ

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২০
Screenshot 20200822 211148

বিশ্ব প্রতারক’ তকমা পাওয়া রিজেন্ট হাসপাতা’লের চেয়ারম্যান মোহাম্ম’দ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম এখন ব’ন্দি অবস্থায় আছেন। ভু’য়া করো’না পরীক্ষাসহ নানা অ’ভিযোগে তার এখন বিচার চলছে। কিন্তু এই ব’ন্দি সাহেদও এখন বহু মানুষের ভোগান্তির কারণ হচ্ছেন।

ভু’য়া করো’না রিপোর্ট দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের অ’ভিযোগে সিলগালা করা হয়েছে তার পরিচালিত রিজেন্ট হাসপাতা’লের দুটি শাখা এবং প্রধান কার্যালয়। এই ভবনগুলো সিলগালা করায় মহাবিপাকে পড়েছেন ভবনগুলোর মালিক এবং বাসিন্দারা।

জানা গেছে, মিরপুর ও উত্তরায় রিজেন্ট হাসপাতা’লের শাখা দুটি চলছিল ভাড়া বাড়িতে। কিন্তু সিলগালা করায় বিপাকে পড়েছেন ভবন মালিকরা। একদিকে সাহেদের কাছে আ’ট’কা বকেয়া ভাড়া, অন্যদিকে তারা ভবনেও প্রবেশ করতে পারছেন না। এ থেকে পরিত্রাণ চেয়ে র‌্যা’­বের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন ভবন মালিকরা। তবে মা’মলার অগ্রগতি না হলে ভবন বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

র‌্যা’­ব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ভবন মালিকরা সমস্যায় আছেন, সেটা বুঝতে পারছি। তবে এখন ভবন বুঝিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। আরো পাঁচ-সাত মাস লাগতে পারে। মা’মলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভবন বুঝিয়ে দেওয়া যাবে না। কারণ, যেকোনো সময় আলামতের জন্য প্রয়োজন হবে ভবন দুটি। আর মা’মলায় উল্লেখ রয়েছে সাহেদের প্রতিষ্ঠান। ভবন যারই হোক, ভেতরের জিনিসপত্র সাহেদের।’

মিরপুর-১২ নম্বরের ১৪/১১ মিতি প্লাজার ছয়তলা ভবনের নিচতলায় রিজেন্ট হাসপাতাল সিলগালা করা। তৃতীয় তলা থেকে ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত ৫০ শয্যার হাসপাতাল। বর্তমানে কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। রাতে হাসপাতা’লের নিচে পাহারা দিতে আসেন একজন নিরাপত্তা প্রহরী। জানা গেছে, হাসপাতাল ভবনটির ভাড়া বাবদ ৪৫ লাখ পাঁচ হাজার টাকা, পানির বিল বাবদ ছয় লাখ ৯৬ হাজার টাকা এবং বিদ্যুতের বিলও পাবেন ভবনের মালিক ফিরোজ আলম চৌধুরী। তিনি পল্লবী থা’নায় একটি প্রতারণার মা’মলা করেছেন। কিন্তু এর সুরাহা কবে হবে তার ঠিক নেই।

প্রতারক সাহেদের প্রধান অফিস হিসেবে ব্যবহৃত উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের ২/এ নম্বরের ১৪ নম্বর বাসার দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা। সেটাও সিলগালা করা। ছয়তলা ভবনটির তৃতীয় তলার মালিক জাহানার কবীর গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আগেও সমস্যায় ছিলাম। এখনো সমস্যায় আছি। কবে ভবন খুলে দেবে জানি না। র‌্যা’­ব বরাবর চিঠি পাঠিয়েছি। কিন্তু কোনো জবাব পাইনি।’

উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ১৭ নম্বর সড়কের ৩৬ নম্বর বাসায় প্রতারক সাহেদের রিজেন্ট হাসপাতা’লের আরেকটি শাখা। সেটারও একই অবস্থা। এসব ভবনের মালিকরা বলছেন, সাহেদ যখন মুক্ত ছিলেন তখন তিনি ভুগিয়েছেন। এখন ব’ন্দি থেকেও তিনি ভোগাচ্ছেন

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা