জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত এক টাকাও হারাম খেতে চাই না: এসপি ফরিদ উদ্দীন | Daily Cox News
  • শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত এক টাকাও হারাম খেতে চাই না: এসপি ফরিদ উদ্দীন

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২০
Screenshot 20200824 212321

সিলেট জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) পদে সম্প্রতি যোগদান করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়ারী বিভাগের সাবেক উপকমিশনার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন। সাহসী এই পুলিশ কর্মকর্তা চাকরি জীবনের শুরু থেকেই গরীব ও অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করে আসছেন।

নিজ কর্ম এলাকায় তিনি একজন পরোপকারী এবং সৎ-মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সুপরিচিত।ফরিদ উদ্দীন সম্প্রতি গণমাধ্যমকে বলেছেন, “বেঁচে থাকার জন্য টাকা দরকার আছে এটা ঠিক তবে আমার এক টাকাও হা’রাম কিংবা অ’বৈধ টাকার দরকার নেই।

আমার শেষ নিশ্বাসের আগেও যেন এক টাকা হা’রাম খেতে না হয় আল্লাহর কাছে এটাই আমার চাওয়া।’ বৃদ্ধ মায়ের কাছ থেকে সম্পত্তি লিখে নিয়ে রাতের আঁধারে তাকে রাস্তায় ফেলে দেন দুই সন্তান।এমন খবর পেয়ে ওই বৃদ্ধাকে উদ্ধার করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার ওসি নজরুল ইসলাম।

এরপর আটক করেন ওই দুই ছেলেকে। পরে ওসির উদ্যোগে দুই সন্তানের কাছ থেকে বৃদ্ধার নামে ২ শতাংশ জমি লিখিয়ে নেওয়া হয়। এদিকে এমন ভালো কাজ করে প্রশংসায় ভাসছেন ওসি নজরুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২৫ জুন) বৃদ্ধা খোদেজা বেগমকে বুকে টেনে নিয়ে ওসি নজরুল বলেন, আপনি আমর মা। আপনি একা নন। আপনার এমন হাজারো ছেলে আপনার পাশে দাঁড়াবে।

বৃদ্ধা খোদেজা জানান, ১৯৭১ সালে তার স্বামী বিল্লাত আলী দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে মারা যান। পরে পৈত্রিক সূত্রে সন্তানরা জমির মালিক হন। এক পর্যায়ে বৃদ্ধা তার বাবার বাড়ির জমি ও নিজের স্বামীর কাছ থেকে প্রাপ্য ২০ শতাংশ জমি চার বছর আগে সন্তানদের নামে লিখে দিয়েছিলেন। এরপর ভাত-কাপড়তো দূরের কথা, সন্তানদের কাছে মাথা গোজার অবস্থাও ছিল না তার। এমনকি ছেলের বৌরাও তাকে বিভিন্ন সময় মা’রধ’রও করতো। ১৫ দিন আগে ছেলেরা তাকে রাতের আধারে রাস্তায় ফেলে যায়।

তার থাকার ঘরেও তারা তালা ঝুলিয়ে দেয়। চৈতনকা’ন্দা এলাকায় একটি রাস্তায় সে পড়ে ছিল। খবর পেয়ে নিজ উদ্যোগে ও’সি তাকে তুলে নেন। এ ঘটনায় দুই ছেলেকে পুলিশ আ’টক করে। পরে তাদের কাছ থেকে বৃ’দ্ধার নামে ২ শতাংশ জমি লিখিয়ে নেন। এতে তার মাথা গোজার ঠাঁই হয়েছে।

ওই বৃদ্ধা বলেন,‘আল্লায় (ওসি) পোলাডার ভালো করুক। আমার কাছে তো ওরে দিমু তেমন কিছু নাই। তবে আল্লাহয় ওর ভালো করব। অনেক বড় অইব দোয়া দিলাম।’ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি একজন অ’সহায় মায়ের পাশে দাঁড়াতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আমি বৃদ্ধার থাকার একটু ব্যবস্থা করে দিতে পেরেছি।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা