করোনা সহায়তার ১৮ হাজার ভুয়া হিসাব বাতিল | Daily Cox News
  • বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ১১:৪২ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

করোনা সহায়তার ১৮ হাজার ভুয়া হিসাব বাতিল

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
করোনা সহায়তার ১৮ হাজার ভুয়া হিসাব বাতিল

ঢাকা: নতুনভাবে স্বচ্ছতার সঙ্গে তালিকা করতে গিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে করোনা সহায়তার ১৭,৯৫৬টি ভুয়া মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব ও ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) হিসাব বাতিল করা হয়েছে।

নিষ্ক্রিয় ও জালিয়াতির কারণে বাতিল হওয়া এসব হিসাবের ৪৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ পরিবারকে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবের মাধ্যমে এককালীন ২৫০০ টাকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার। ব্যাপক দুর্নীতি আর অনিয়মের কারণে শুরুতেই প্রায় ১৫ লাখ পরিবারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। নগদ সহায়তা দেওয়া হয় ৩৪ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫টি পরিবারকে।

সে হিসাবে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত তালিকাভুক্ত ৪৯ লাখ ৩০ হাজার ১৫৪টি দরিদ্র পরিবারের ৭০ শতাংশেরও বেশি পরিবার অর্থ পেয়েছে।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর অর্থ বিভাগের উপ-সচিব আসাদুজ্জামান খানের সই করা একটি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৪ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫টি পরিবারের মধ্যে ৮৭৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা নগদ সহায়তা বিতরণ করেছে।

দেশে করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করতে পারে এমন আশঙ্কায় ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। লাখ লাখ মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। সরকার ৫০ লাখ পরিবারের ২৫০০ টাকা করে দেওয়ার জন্য ১২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ছয়টি ক্যাটাগরিতে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেন। এদের মধ্যে দিন মুজুর, কৃষি শ্রমিক, শ্রমিক, গৃহকর্মী, পরিবহন শ্রমিক এবং ভ্যান চালক, নির্মাণ শ্রমিক, দোকান কর্মচারী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায় নিযুক্তরা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই অর্থ বিতরণ উদ্বোধন করেন চলতি বছরের ১৪ মে। তবে প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে অর্থ বিতরণ করতে গিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে সরকার। চরম অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির চিত্র উঠে আসে।

মাঠ প্রশাসনের সহায়তায় আইসিটি বিভাগ সম্ভাব্য উপকারভোগীদের একটি তালিকা তৈরি করে এবং সেন্ট্রাল এইড ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে তা যাচাই-বাছাই করে। পরে তিন ধাপে ৪৯ লাখ ৩০ হাজার ১৫৪টি পরিবারের তালিকা অর্থবিভাগে পাঠায়।

অর্থ বিভাগ এই তালিকা যাচাই করে ১৪ লাখ ৩২ হাজার ৮শ ১ জনের নাম বাদ দেয়।

নগদ সহায়তা দেওয়া হয় নগদ, বিকাশ, রকেট ও শিওর ক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে।

বিকাশের হেড অব গভর্মেন্ট প্রজেক্ট অ্যান্ড বিজসেন সেলস মাশরুর চৌধুরী বলেন, আমরা তালিকা দিয়েছি বাংলাদেশ ব্যাংক লেনদেন করেছে। এত হিসাব বন্ধ হয়েছে বলে মনে হয় না।

এ বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আতিকুল হক বলেন, আমি এখানে যোগদান করার আগেই প্রকল্পটি শুরু হয়েছে। তবে সুবিধাভোগীদের সংখ্যা ৩৫ লাখ।

বাকিদের মধ্যে সহায়তার অর্থ বিতরণ করা হবে কি-না জানতে চাইলে অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা