পুলিশ সদস্যরা নাগরিক সেবায় ইতিবাচক কাজ করলেই পুরস্কার | Daily Cox News
  • শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পুলিশ সদস্যরা নাগরিক সেবায় ইতিবাচক কাজ করলেই পুরস্কার

নিজস্ব প্রতিবেদন
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
পুলিশ সদস্যরা নাগরিক সেবায় ইতিবাচক কাজ করলেই পুরস্কার

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, ‘গণমানুষের কল্যাণে নাগরিক সেবায় দেশের যে কোনও প্রান্তের যে কোনও সদস্য যত বেশি ইতিবাচক কাজ করবেন, তত বেশি পুরস্কার ও প্রণোদনা দেওয়া হবে।’ ঘূর্ণিঝড় আম্পানের সময় সুন্দরবনে নিখোঁজ হওয়া ছয় কিশোরকে উদ্ধারে পুলিশের সাহসী সদস্যদের এবং পুলিশকে সহায়তাকারী স্থানীয় নাগরিকদের বিশেষ পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে আইজিপি এসব কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, ‘সমন্বিত উন্নয়নের জন্য জনবান্ধব পুলিশিংয়ের কোনও বিকল্প নেই। সেজন্যই আমরা পুলিশিং সেবাকে নাগরিকদের দোরগোড়ায় নিতে চাই। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের সময় সুন্দরবনে নিখোঁজ হওয়া ছয় কিশোরকে উদ্ধারে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যেভাবে দুঃসাহসিক অভিযান পরিচালনা করেছেন, এটি তারই প্রমাণ।’

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আইজিপি বলেন, ‘বাংলাদেশের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯ আমাদের ত্বরান্বিত, গতিশীল ও সমন্বিত সেবা প্রদান করতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে। পুলিশের সদস্যরা প্রতিনিয়ত নানা প্রান্তে নানাভাবে ইতিবাচক নাগরিকবান্ধব কাজ করে চলেছে। সেইসব ভালো কাজ আমাদের দৃষ্টিতে আনতে হবে। যাতে আমরা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে তাদের প্রণোদনা দিতে ও পুরস্কৃত করতে পারি।’

আইজিপি বলেন, ‘সুন্দরবনে নিখোঁজ ছয় কিশোর উদ্ধারের মডেলটি স্থানীয় নাগরিক ও পুলিশের মেলবন্ধনের একটি দৃষ্টিনন্দন ও অনুকরণীয় উদাহরণ। পুলিশের সময়োপযোগী ও সমন্বিত উদ্যোগ না থাকলে হয়তো সম্ভাবনাময়ী ওই ছয় কিশোরের জীবন বিপন্ন হতে পারতো। ভালো কাজের কোনও শেষ নেই। তাই আমাদের প্রতিনিয়ত অধিকতর ভালো কাজ করে যেতে হবে।’

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯ এর কলটেকার কনস্টেবল পপি আক্তার , বাগেরহাটের ধানসাগর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই আজিম উদ্দিন, নায়ক মো. মনিরুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. জামিল হোসেন, কনস্টেবল মো. জমিরুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. আবুল কালাম, কনস্টেবল মো. টুকু মিয়া, কনস্টেবল মো. জহিরুল ইসলাম এবং স্থানীয় নাগরিক মো. ছগীর আকন, মো. মিলন ফরাজী, মুহাম্মদ সগীর হাওলাদার এবং সোহাগ হাওলাদারকে আইজিপির পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা, সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট ও প্রণোদনা দেওয়া হয়।

এই সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাডিশনাল আইজি ও ডিআইজিসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা