অস্থির রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেমে নেই সংঘর্ষ | Daily Cox News
  • বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০২:২০ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

অস্থির রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেমে নেই সংঘর্ষ

ডেইলী কক্স নিউজ ডেস্ক
আপডেট : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০
Rohinga camp

অস্ত্র এবং মাদক ব্যবসা নিয়ে আধিপত্য, ক্যাম্পের দখলদারিত্ব বজায় রাখাসহ নানামুখী জটিলতায় অস্থির হয়ে উঠেছে উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরগুলো। রোহিঙ্গাভিত্তিক বিবদমান গ্রুপগুলোর মধ্যে প্রতিদিনই ঘটছে সংঘর্ষ, প্রাণহানির মতো ঘটনা। আজও দু’গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত হয়েছে দু’জন। রোহিঙ্গাদের এ অভ্যন্তরীণ বিরোধে উদ্বিগ্ন এবং আতঙ্কিত স্থানীয়রা। এ অবস্থায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তা ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছে পুলিশ।

রবিবার) ৪ অক্টোবর) দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছে কুতুপালং ক্যাম্প ২ ওয়েষ্ট এর ডি ৫ ব্লকের মৃত সৈয়দ আলমের ছেলে ইমাম শরীফ (৩২) ও ডি ২ ব্লকের মৃত ইউনুসের ছেলে শামসুল আলম (৪৫)।
এ ঘটনায় আরো অন্তত দশজন আহত হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অভ্যন্তের থাকা বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহদের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের কক্সবাজার সদর হাসপাতালের প্রেরণ করা হয়েছে।

কুতুপালং ক্যাম্পের আইন শৃংখলার দায়িত্বে নিয়োজিত ১৪ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক আতিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উখিয়া থানার ওসি আহাম্মদ সঞ্জুর মোরশেদ জানান, দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত ২ জনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান হাফেজ জালাল আহমদ জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তাদের দুইটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল অনেকদিন থেকে। এর আগেও দুই গ্রুপের মধ্যে ছোট-বড় বেশ কয়েকবার ঘটনা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাংলাদেশে ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদক বিস্তারে বড় ধরণের ভূমিকা রাখছে ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গারা। আর পুলিশের তথ্য মতে, এর মধ্যে বিভিন্ন অভিযোগে দু’হাজারের বেশি রোহিঙ্গার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে প্রায় সাড়ে সাতশ। দায়েরকৃত মামলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে মাদক মামলা। যার সংখ্যা প্রায় সাড়ে চারশ। এর বাইরে রয়েছে ৬০টির বেশি খুনের মামলা এবং অন্তত ৬৫টি অস্ত্র মামলা।

প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ বছরের বেশি সময় ধরে টেকনাফ এবং উখিয়ার আশ্রয় শিবিরগুলোতে থাকা রোহিঙ্গারা খুন, ধর্ষণ, মাদক ও মানব পাচার এবং অস্ত্র ব্যবসার মতো অন্তত ১৫ রকমের অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা নিয়ে অভ্যন্তরীন বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। প্রতি রাতেই ক্যাম্পগুলোতে শোনা যায় গুলির শব্দ।

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা