রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে আধিপত্য থাকবে শুধু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর | Daily Cox News
  • শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে আধিপত্য থাকবে শুধু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর

কক্সবাজার ও টেকনাফ প্রতিনিধি
আপডেট : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০
রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে আধিপত্য থাকবে শুধু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৪ জন নিহত হওয়ার পর বুধবার বিকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন।

রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে কারও আধিপত্য থাকার প্রশ্নও ওঠে না। এখানে আধিপত্য থাকবে শুধু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর। বুধবার (৭ অক্টোবর) এ মন্তব্য করেছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন। সপ্তাহজুড়ে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু’গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও মঙ্গলবার রাতে বন্দুকযুদ্ধে এক বাংলাদেশি ও ৩ রোহিঙ্গা নিহত হওয়ার পর ওই ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় তিনি সরকারের এ মনোভাবের কথা বলেন।

এদিকে, এই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু’গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সপ্তাহজুড়ে চলমান সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। আজ বুধবারও সারাদিন থেমে থেমে গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষে অন্তত আহত হয়েছে অর্ধশতাধিক। রোহিঙ্গাদের দু’পক্ষের চলমান সংঘর্ষ থামাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন।

এসময় তিনি ক্যাম্পের পরিস্থিতি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে কারও আধিপত্য থাকার প্রশ্নও উঠে না। এখানে আধিপত্য থাকবে শুধু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর। ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে যৌথ টহল চলছে। কিছু কিছু এলাকায় ব্লকরেইড চলছে। আমি আমার অফিসারদের সঙ্গে কথা বলবো। ক্যাম্পে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন তা নেবো। আজকে কোনও নিহতের সংবাদ নেই। তবে দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। বিশেষ করে ক্যাম্পে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের কাজ চলছে। তাছাড়া পুরো বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। কোনও অপরাধী ছাড় পাবে না।’

এ ক্যাম্পে সকাল থেকে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে দায়িত্বরত এপিবিএন সদস্য, পুলিশ, আনসার ও সেনাবাহিনী টহল জোরদার করে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ৪ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে আটক করে পুলিশ।

এদিকে গত মঙ্গলবার নিহত চার জনের মধ্যে নুরুল হুদা নামের একজন বাংলাদেশিও রয়েছে। তাদের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা