কক্সবাজার প্রেমিকসহ তিন বন্ধু মিলে কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১ | Daily Cox News
  • বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

কক্সবাজার প্রেমিকসহ তিন বন্ধু মিলে কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২০
কক্সবাজার প্রেমিকসহ তিন বন্ধু মিলে কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক কিশোরীকে প্রেমিকসহ তিন বন্ধু মিলে ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ওই কিশোরীর মা বাদি হয়ে অভিযুক্ত ৩ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারকৃত যুবক মো. এবায়দুল্লাহ বড় মহেশখালী ইউনিয়নের গুলগুলিয়া পাড়ার মোহাম্মদ আলী ওরফে নবাব মিস্ত্রিীর ছেলে।

মহেশখালী থানার ওসি মো. আব্দুল হাই জানিয়েছেন, রবিবার (১১ অক্টোবর) রাতে মহেশখালী উপজেলার বড় মহেশখালী ইউনিয়নের দেবাঙ্গপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। বড় মহেশখালী ইউনিয়নের দেবাঙ্গপাড়ার ওই কিশোরীর সঙ্গে একই ইউনিয়নের পার্শ্ববতী গুলগুলিয়া পাড়ার আলী আহম্মদের ছেলে নুরুল হাকিমের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। ১১ অক্টোবর রাতে প্রেমিকা ওই কিশোরীকে ফোনে কল দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে আনে। পরে ওই কিশোরী প্রেমিকের উল্লেখিত স্থানে এসে নুরুল হাকিমের সঙ্গে খায়রুল আমিন ও মোহাম্মদ এবায়দুল্লাহ নামের আরো ২ যুবককে দেখতে পায়। এক পর্যায়ে তারা ৩ বন্ধু মিলে জোরপূর্বক ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। পরে ওই কিশোরী বাড়ি ফিরে ঘটনাটি মাকে জানায়।

আব্দুল হাই আরো বলেন, গ্রেপ্তারকৃত যুবককে মহেশখালীর জেষ্ঠ্য বিচারিক হাকিম আলী আকবরের আদালতে নেয়ার পর সে ঘটনায় জড়িত থাকার ব্যাপারে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান ওসি।

এদিকে, ঘটনার পরদিন সোমবার রাতে ঘটনায় জড়িতরা ভিডিও ধারণের তথ্য জানিয়ে ওই কিশোরীর পরিবারের কাছ থেকে মুঠোফোনে মোটা অংকের টাকা দাবি করে আসছিলো বলে জানান বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় ইউপি সদস্য এরফান উল্লাহ। তিনি বলেন, তিনিসহ (স্থানীয় ইউপি সদস্য) স্থানীয়রা ওই কিশোরীর পরিবারকে পরামর্শ দেন ঘটনায় জড়িতদের টাকা নিতে আসার জন্য। এতে গত ১২ অক্টোবর রাতে দেবাঙ্গপাড়া সংলগ্ন স্থানীয় এক বিলে টাকা নিতে আসে ঘটনায় জড়িতরা। এসময় টাকা নিতে নিতে আসলে স্থানীয়দের ফাঁদে পড়ে ঘটনায় জড়িতরা। এতে মোহাম্মদ এবায়দুল্লাহ ও খায়রুল আমিন নামের দুই যুবককে ধৃত করা হয়। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি আশরাফুল ইসলাম রাসেল জোর খাটিয়ে খালাতো ভাই দাবি করে খায়রুল ইসলামকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে এবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায় বলে জানান স্থানীয় ইউপি সদস্য।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা