দুই সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা | Daily Cox News
  • রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ১০:৪৩ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম :
একাকিত্বকে টার্গেট করে কলেজ শিক্ষিকাকে একের পর এক ধর্ষণ ৪৫ লাখ টাকা ছিনতাই করে কক্সবাজার ভ্রমণ, পুলিশ ধরল যেভাবে মহানবী (স.) কে কটূক্তি: ফ্রান্সের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশি হ্যাকারদের হামলা গৃহবধূকে তুলে নিয়ে চেয়ারম্যান-মেম্বার মিলে দলবেঁধে ধর্ষণ! অপহরণকারীদের ছেড়ে দিল পুলিশ, ওসিসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে পুনঃতদন্তের নির্দেশ বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন প্রেমিকা তাহিরপুরে জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় জাতীয় স্যানিটেশন ও হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩, শনাক্ত ১৩০৮ কাফনের কাপড় পরে থানায় আমরণ অনশনে রায়হানের মা

দুই সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০
দুই সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় একই পরিবারের দুই সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত বা বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরের কোনো এক সময় এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
নিহত হলেন- শাহিনুর রহমান (৪০), তার স্ত্রী সাবিনা খাতুন (৩৫), ছেলে সিয়াম হোসেন (১০) ও মেয়ে তাসলিমা (৮)। তাদের বাড়ি কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের খলিশাগ্রামে। জানা গেছে শাহিনুর রহমান একজন মৎস্য ব্যবসায়ী ছিলেন।

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারান পাল গণমাধ্যমকে জানান, বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে হেলাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন পুলিশকে খবর দিয়ে জানায়, তার ইউনিয়ন পরিষদের পাশের এক বাড়িতে রাতে ডাকাতি হয়েছে। ডাকাতেরা একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা করেছে। এ খবর পেয়ে তিনি (ওসি) কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থলে যান।
ওসি হারান পাল গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজনের লাশ দেখতে পায়। চারজনকেই কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, বাড়ি থেকে কোনো জিনিসপত্র খোয়া যায়নি।
নিহত শাহিনুর রহমানের ছোট ভাই রায়হানুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, বাড়িটিতে তার মা ও বড় ভাইয়ের পরিবারের চারজনসহ তারা সাতজন থাকতেন। তাদের মা গতকাল এক আত্মীয়ের বাড়িতে ছিলেন। তিনি (রায়হানুল) ছিলেন পাশের ঘরে। ভোরে পাশের ঘর থেকে তিনি গোঙানির শব্দ শুনতে পান তিনি। তিনি গিয়ে দেখেন, ঘরের বাইরে থেকে দরজা আটকানো। দরজা খুলে দেখতে পান, বীভৎস দৃশ্য। তখনো একটা শিশু বেঁচে ছিল। সে কিছুক্ষণ পর মারা যায়।
রায়হানুল ইসলাম বলেন, তাদের সঙ্গে জায়গা-জমি নিয়ে পাশের কয়েকজনের বিরোধ ছিল। কিন্তু কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।
ওসি হারান পাল বলেন, কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, কারা এই ঘটনা ঘটাল, তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতি করার জন্য নয়, পরিকল্পিতভাবেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা