মহেশখালীতে পুঁতে রাখা ‘নিখোঁজ গৃহবধূর’ মৃতদেহ উদ্ধার | Daily Cox News
  • বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০১:১২ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

মহেশখালীতে পুঁতে রাখা ‘নিখোঁজ গৃহবধূর’ মৃতদেহ উদ্ধার

সুজাউদ্দিন রুবেল
আপডেট : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০
লাশ উদ্ধার

কক্সবাজারের মহেশখালীতে শ্বশুরবাড়ির আঙিনার মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় ‘নিখোঁজ গৃহবধূর’ মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান মহেশখালী থানার ওসি মো. আবদুল হাই।

নিহত আফরোজা বেগম (২৪) কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা এলাকার হাসান বশিরের ছেলে রাকিব হাসান বাপ্পীর স্ত্রী। রাকিব হাসান বাপ্পী চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক। আফরোজা বেগমের বাপের বাড়ি একই উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পুঁইছড়া এলাকার মোহাম্মদ ইসহাকের মেয়ে।
মহেশখালী থানার ওসি আবদুল হাই বলেন, গত ১২ অক্টোবর শ্বশুরবাড়ি থেকে আফরোজা বেগম নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় পিতা মোহাম্মদ ইসহাক বাদী হয়ে স্বামী রাকিব হাসান বাপ্পীকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। স্বজনদের পাশাপাশি পুলিশ বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর নিয়েও আফরোজার সন্ধান পায়নি।

‘ঘটনার অনুসন্ধান চালিয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, নিখোঁজ গৃহবধূ আফরোজার লাশ শ্বশুরবাড়ির আঙিনায় মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় রয়েছে। পরে শনিবার রাতে মাটি খুঁড়ে পুলিশ তার অর্ধগলিত লাশটি উদ্ধার করেছে।’
নিহত গৃহবধূর স্বজনদের বরাতে ওসি বলেন, গত নয় মাস আগে রাকিব হাসান বাপ্পীর সঙ্গে আফরোজা বেগমের বিয়ে হয়। এটি দুজনেরই দ্বিতীয় বিয়ে। আফরোজা বেগমের স্বামী মারা যাওয়ার পর বাপ্পীকে বিয়ে করে।
‘অন্যদিকে রাকিব হাসান বাপ্পী প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেয়ার পর আফরোজা বেগমকে বিয়ে করে। কিন্তু বিয়ের পর থেকে বাপ্পীর সঙ্গে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর আবারও যোগাযোগ গড়ে উঠে। এ নিয়ে আফরোজা ও বাপ্পীর মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়।’
আবদুল হাই জানান, দাম্পত্য এ কলহের জেরে রাকিব হাসান বাপ্পী স্ত্রী আফরোজার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালাত বলে স্বজনদের অভিযোগ। এ নিয়ে সামাজিক বিচার-সালিস হয়েছে।
নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে বলে জানান ওসি।

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা