• রবিবার, ৩১ মে ২০২০, ০১:২৫ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
নোটিশ :
আমাদের সাইট-এ প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ করুন>>01865-115787>>>01819785496

কক্সবাজারে ধরা পড়লো অনলাইন ব্যাংক জালিয়াতির মূল হোতা

ডেস্ক নিউজ
আপডেট : রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২০

অবশেষে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হল অনলাইন ব্যাংক জালিয়াতির মূল হোতাকে। দেশের একাধিক শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকের শতাধিক গ্রাহকের অন্তত অর্ধকোটি টাকা চুরি হাতিয়ে নিয়েছে এই প্রতারকচক্রটি।

শুক্রবার (২০ মার্চ) ভোর পাঁচটায় অনলাইন ব্যাংক প্রতারকচক্রের প্রধান মামুন তালুকদারকে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার সহযোগী রাজু ফারাজীকে একই দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে এবং পরদিন শনিবার (২১ মার্চ) ভোরে মিঠু মৃধাকে ফরিদপুরের ভাঙা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনজনের কাছ থেকে ব্যাংকিং প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একটি এক্সিও গাড়ি, বিশেষ অ্যাপসযুক্ত সাতটি মোবাইল ফোন, বহু ভুয়া রেজিস্ট্রেশনকৃত মোবাইল সিমকার্ড, একাধিক ব্যাংক, বিকাশ, নগদ ও স্ক্রিল অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন।

গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার ধানমন্ডি থানায় মামলা হয়েছে। রোববার (২২ মার্চ) তাদের ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, বেশ কয়েক মাস ধরে অনলাইন ব্যাংক জালিয়াতির এই চক্রটি বিভিন্ন কায়দায় মোবাইলভিত্তিক ডায়ালার অ্যাপ দিয়ে প্রতারণা করে আসছিল। তারা কয়েকটি ব্যাংকের হেড অফিসের কার্ড ডিভিশনের মোবাইল নম্বর প্রতারণা (স্পুফ) করে শাখা-ম্যানেজারদের কল দিয়ে আগের মাসের নতুন কার্ড ব্যবহারকারীদের নাম, কার্ড নম্বর এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করতেন। তারপর প্রতারকেরা ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ার এজেন্ট সেজে গ্রাহকদের কল করে বলতেন, তারা ব্যাংক থেকে নতুন কার্ডটি অ্যাকটিভ করা বা সমস্যা সমাধান করার জন্য কল করেছেন। এরপর চক্রটি কৌশলে স্পুফড মোবাইল কলের মাধ্যমেই গ্রাহকদের কার্ডের মেয়াদ, ৩-৪ ডিজিটের সিভিভি কোড এবং প্রয়োজনে মোবাইলের ওটিপি সংগ্রহ করেন। গ্রাহকদের কার্ড থেকে হাতিয়ে নেওয়া টাকা ও ডলার প্রতারকদের লন্ডনভিত্তিক ই-কমার্স অ্যাপ স্ক্রিলের অ্যাকাউন্ট, বিকাশ বা নগদ-এ ট্রান্সফার করে নেওয়া হতো। পরবর্তীতে তারা এটিএম বুথ বা বিকাশ বা নগদ এজেন্ট থেকে ক্যাশ আউট করতেন।

জানা গেছে, দেশের একাধিক শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকের শতাধিক গ্রাহকের অন্তত অর্ধকোটি টাকা চুরি হাতিয়ে নিয়েছে এই প্রতারকচক্রটি। এসব ঘটনায় কয়েকটি ব্যাংকের কর্তৃপক্ষ ঢাকা নগর পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ বিভাগ ঢাকা, ফরিদপুরের ভাঙ্গা এবং কক্সবাজারের লক্ষাধিক মোবাইল নম্বর ও ডায়লার অ্যাপসের আইপি বিশ্লেষণসহ উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই প্রতারকচক্রকে শনাক্ত করে।cp



ফেসবুকে আমরা