• শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আর্মড পুলিশের এএসআই নিহত আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবসময়ই অত্যন্ত শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ দল -কৃষিমন্ত্রী জয়পুরহাটে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তির কারাদণ্ড মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে রেলের জমি উদ্ধারে বাধা, রেলের এক্সাভেটরে দুর্বৃত্তের আগুন শেষ হলো সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন দেশে করোনায় আরও ৫১ জনের মৃত্যু ইভ্যালির সিইও রাসেল গ্রেপ্তার প্রবাস থেকে স্বামী আসার খবরে প্রেমিকের হাত ধরে পালালো এক সন্তানের জননী কোটবাজারে চাকবৈঠার ইব্রাহিম বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ র‍্যাবের হাতে আটক রত্নাপালং ইউপি নির্বাচন : চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ইমাম হোসেন

অপহৃতের সঙ্গে নারীর ‘আপত্তিকর ছবি’ তুলে রাখতো তারা

রিপোর্টার নাম :
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২১
a

রাজধানীর উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের একটি রেস্টুরেন্টের মালিক মিহির রায়। তার দোকানের খাবার খুব সুস্বাদু তাই একটি পার্টির জন্য ৮০ বক্স খাবার অর্ডার করা হবে। অর্ডার নিতে তার সঙ্গে বাসায় যেতে হবে বলে অনুরোধ করেন এক ক্রেতা। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী। এমন অভিনব কায়দায় অপহরণ করে একটি চক্রের সদস্যরা। অপহরণের পর টাকা আদায় করতো তারা।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপি গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

তিনি বলেন, ক্রেতা সেজে অভিনব কায়দায় রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীকে অপহরণের অভিযোগে রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় অভিযান চালিয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় চক্রের আরও কয়েকজন সদস্য পালিয়ে গেছেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মিরাজ ও বৃষ্টি।

এই চক্রটি বেশ কিছুদিন ধরে অভিনব কায়দায় অপহরণ করতো। অপহরণের পর তারা হাত, পা, মুখ ও কালো কাপড় দিয়ে চোখ বেঁধে গোপন আস্তানায় নিয়ে যেতো। এরপর নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আদায় করা হতো বিপুল পরিমাণ টাকা।

গোয়েন্দা পুলিশের এই অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, এই চক্রের বেশ কিছু সদস্যর নাম পাওয়া গেছে। চক্রের সদস্যদের আলাদা আলাদা কাজ ভাগ করে দেয়া হয়। এই চক্রের কোনও সদস্য মোবাইল ফোন ব্যবহার করে না। তারা অভিনব কায়দায় ভিপিএন ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করত এবং নিজেদের আড়ালে রাখত। পুলিশের হাতে গ্রেফতার চক্রের সদস্যরা এক মাসে ৩ থেকে ৪টি অপহরণের কথা স্বীকার করেছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, এই চক্রটি অপহরণ করার পর মুক্তিপণ আদায় করতো। এরপর তারা অপহৃত ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়ার আগে একজন নারীকে দিয়ে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তুলে রাখতো। এছাড়া সাদা কাগজ বা একাধিক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে রাখতো। মুক্তিপণ আদায় করার পর অপহরণের শিকার ব্যক্তি ও তার পরিবার যেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ দিতে না পারে।

ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশে এই কর্মকর্তা বলেন, এই চক্রের হাতে অপহরণের পর মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পাওয়া দুজন ব্যক্তি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তাদের সঙ্গে একই ঘটনা ঘটেছে। অপহরণের পর মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিরা হলো- খিলগাঁও গোড়ান এলাকার বাসিন্দা নেয়ামত উল্লাহ ও বরিশাল বাকেরগঞ্জ এর বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে দক্ষিণখাঁন থানায় অপহরণ মামলা করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে এনে চক্রের অন্য সদস্যদের বিষয়ে তথ্য বের করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর