• শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আর্মড পুলিশের এএসআই নিহত আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবসময়ই অত্যন্ত শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ দল -কৃষিমন্ত্রী জয়পুরহাটে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তির কারাদণ্ড মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে রেলের জমি উদ্ধারে বাধা, রেলের এক্সাভেটরে দুর্বৃত্তের আগুন শেষ হলো সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন দেশে করোনায় আরও ৫১ জনের মৃত্যু ইভ্যালির সিইও রাসেল গ্রেপ্তার প্রবাস থেকে স্বামী আসার খবরে প্রেমিকের হাত ধরে পালালো এক সন্তানের জননী কোটবাজারে চাকবৈঠার ইব্রাহিম বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ র‍্যাবের হাতে আটক রত্নাপালং ইউপি নির্বাচন : চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ইমাম হোসেন

ইসলামী ব্যাংকে ২ হাজার কোটি টাকার রহস্যময় তহবিলের সন্ধান!

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০
ইসলামী ব্যাংকে ২ হাজার কোটি টাকার রহস্যময় তহবিলের সন্ধান!

ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ শাখায় বিদেশ থেকে আসা দুই হাজার কোটি টাকার রহস্যময় তহবিলের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।অফশোর ব্যাংকিং হচ্ছে বিশেষ ধরণের আলাদা ব্যাংকিং ব্যবস্থা। বিদেশি সূত্র হতে বৈদিশিক মুদ্রায় যেখানে তহবিল সৃষ্টি হয়। ২০১১ সালে ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শাখায় চালু হয় অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট।

দুদকের নথিপত্র বলছে, ২০১৩ সালে ব্যাংকটির ওই ইউনিটে দুই হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল আসে। কোথায় থেকে এ তহবিল এসেছে তার উৎস অজ্ঞাত। পরে ওই টাকার একটি অংশ ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় স্থানান্তর করা হলেও এ টাকা কাদের অ্যাকাউন্টে গেছে তাও নিশ্চিত হতে পারেনি দুদক।

এ প্রক্রিয়াটি এমনভাবে করা হয়েছে যাকে মানি লন্ডারিংয়ের ভাষায় ‘লেয়ারিং’ বা জটিল লেনদেনের মাধ্যমে টাকার উৎস গোপন করার মতো অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

রহস্যময় ওই টাকার উৎসের খোঁজে এখন মাঠে নেমেছে দুদক। এরইমধ্যে কিছু নথিপত্রও পেয়েছে সংস্থাটির অনুসন্ধান টিম। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট বিএফআইইউ’র (BFIU) কাছে এ বিষয়ে একটি পর্যালোচনা প্রতিবেদন চেয়েছে দুদক।

দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, এই টাকার উৎস এবং কোথা থেকে আসলো সেটি অনুসন্ধানে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। তারা এই বিষয় নিয়ে কাজ করছে।

জঙ্গিবাদ কিংবা অপরাধমূলক কার্যক্রমের জন্য এসব অর্থ বিদেশ থেকে এসেছে কি-না তাও খতিয়ে দেখছে সংস্থাটি।

দুদক সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, কোন অবৈধ অর্থ বা সম্পদ যদি কোথাও জমা থাকে এর অনেক কারণ থাকতে পারে। আমরা সবগুলো কারণই খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। তদন্তকারি কর্মকর্তা সবকিছু মাথায় রেখেই তদন্ত করবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট বিএফআইইউ-এর কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছেন অনুসন্ধান টিমের প্রধান দুদকের উপ-পরিচালক আবু বকর সিদ্দি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর