• শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:১২ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আর্মড পুলিশের এএসআই নিহত আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবসময়ই অত্যন্ত শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ দল -কৃষিমন্ত্রী জয়পুরহাটে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তির কারাদণ্ড মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে রেলের জমি উদ্ধারে বাধা, রেলের এক্সাভেটরে দুর্বৃত্তের আগুন শেষ হলো সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন দেশে করোনায় আরও ৫১ জনের মৃত্যু ইভ্যালির সিইও রাসেল গ্রেপ্তার প্রবাস থেকে স্বামী আসার খবরে প্রেমিকের হাত ধরে পালালো এক সন্তানের জননী কোটবাজারে চাকবৈঠার ইব্রাহিম বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ র‍্যাবের হাতে আটক রত্নাপালং ইউপি নির্বাচন : চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ইমাম হোসেন

ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় মা-ছেলের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
1604674446.law banglanews24

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উত্তর দরিয়া দৌলত ইউনিয়নের মরিচাকান্দি থেকে ৪০ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় মা-ছেলেকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের দুজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত।

বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক সাবেরা সুলতানা খানম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দি গ্রামের কালা মিয়ার স্ত্রী ঝরনা বেগম (৫৪) ও তার ছেলে সুমন (২৮)।

রায় প্রদানকালে প্রধান আসামি ঝরনা বেগম পলাতক ছিলেন।
মামলার বিবরণে ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৭ নভেম্বর জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দিতে র‍্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ ঝরনা বেগম ও তার ছেলে সুমনকে আটক করে।

পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর অভিযানে মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত দুইটি স্পিডবোট আটক করা হয়। এ সময় পলাতক ফরিদ মিয়া ও সবুজ মিয়া নামের দুজনসহ মা-ছেলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

উক্ত মামলায় সবুজ মিয়ার সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাকে বাদ দিয়ে ৩ আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন পুলিশ। এরই মধ্যে ঝরনা বেগম ও তার ছেলে সুমন ছেলে জামিনে বের হয়। বুধবার রায় প্রদানকালে ছেলে সুমন মিয়া উপস্থিত হলেও মা ঝরনা বেগম পলাতক ছিলেন। আদালত সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে আদেশে মা-ছেলেকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। পলাতক ঝরনা বেগম গ্রেফতার বা আত্মসমর্পণের দিন থেকে তার সাজা কার্যকর হবে। অপর আসামি ফরিদ মিয়াকে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় মামলা থোকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

এ মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) অ্যাডভোকেট শরীফ হোসেন বলেন, এই মামলার রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক সঠিক ও যৌক্তিকভাবে এই রায় দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষ মনে করে। এতে মাদক ব্যবসায়ীদের অপকর্ম কমে আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর