• রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
ব্রেইন টিউমার আক্রান্ত তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী টুম্পাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন! ফেসবুককে রোহিঙ্গাবিরোধী তথ্য দিতে নির্দেশ উখিয়ায় পাহাড়ের মাটি পাচারকালে ডাম্পার সহ আটক ১ বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৪ কোটি টাকা মূল্যের ইয়াবা উদ্ধার রাজধানীর প্রতিটি খাল সংরক্ষণ করা হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী করোনায় আবারও বাড়ল শনাক্ত ও মৃত্যু কক্সবাজারে ২১ কোটি টাকা মূল্যের ইয়াবা নিয়ে আটক ৫ রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক তাদের অবশ্যই ফিরে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের জন্য ১৫৮ মিলিয়ন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র উখিয়া প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাঃ সম্পাদকের দায়িত্ব অর্পণ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

চীনের মধ্যস্থতায় মার্চে ফিরতে পারে ৪১ হাজার রোহিঙ্গা

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট সময় : বুধবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২১
020147020056Kalerkantho 17 08 2019 13

ঢাকা: বাংলাদেশে অবস্থানরত বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) আগামী মার্চ-এপ্রিলে প্রত্যাবাসন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান।

ভেরিফাইড হাওয়া ৪১ হাজারের বেশি নাগরিককে চীনের মধ্যস্ততায় ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলেও আশা করেছেন প্রতিমন্ত্রী।

বুধবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে বাংলাদেশে অবস্থানরত মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য চীন সরকারের দেওয়া চাল হস্তান্তর অনুষ্ঠান এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং চীন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সেখানে সব বিষয়ে পজিটিভ আলোচনা হয়েছে। মিয়ানমারও রিয়ালাইজ করেছে যে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া দরকার, বাংলাদেশও ফিল করে তারা সম্মানের সঙ্গে নাগরিকত্ব নিয়ে ফিরে যাক।

চীন সরকারও চায় যে বাংলাদেশের উন্নয়নের স্বার্থে ফিরে যাওয়া উচিত।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ দাবি করেছে তাদের গ্রাম বা এলাকাভিত্তিক প্রত্যাবাসন চায়।

কিন্তু মিয়ানমার সরকার চেয়েছে যে তালিকা ভেরিফাইড হয়েছে সেই তালিকা অনুযায়ী তারা ফেরত নিতে চায়। আমরা আশা করি, পরবর্তী মিটিংয়ে আরও অ্যামিকেবল সমাধন আসবে। তিনপক্ষই আশা করছে, যে মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে প্রত্যাবাসন শুরু হবে। আমরা সেই ভালো ফলাফলের অপেক্ষায় আছি।
এনামুর রহমান বলেন, তাদের শতভাব ইচ্ছা- বাংলাদেশের সঙ্গে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তা বজায় রাখবে। সব সমস্যা সমাধানের পাশে থাকবে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা নাগরিকদের বাংলাদেশে যে অবস্থায় আছে সেখান থেকে তারা মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য কাজ করে যাবে।

কতখানি আশাবাদী, চীন-বাংলাদেশের সঙ্গে যেমন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তেমনি মিয়ানমারের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং মিয়ানমারের উন্নয়নে চীনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। সেই জায়গায় চীন যদি সত্যিকারভাবে চায় তাহলে অবশ্যই মিয়ানমার সরকারকে তারা প্রভাবিত করতে পারবে।

তিনি বলেন, মঙ্গলবারের সভা থেকে যে বক্তব্য পেয়েছি তাতে মিয়ানমারও ইচ্ছা প্রকাশ করেছে যে তারা নিয়ে যাবে। যে তালিকা বাংলাদেশ সরকার ভেরিফাইড করে পাঠিয়েছে এবং তারা যে সংখ্যা ভেরিফাই করেছে সেই সংখ্যা তারা নিতে প্রস্তুত আছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাড়ে পাঁচ হাজাররের তালিকা পাঠালে মিয়ানমার সরকার ভেরিফিকেশন করেছে ৪১ হাজার ৭১৯ জন, তাদের নেওয়ার জন্য।

চাল সহায়তা বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গা নাগরিকদের চীন সরকার দুই হাজার ৬৫৪ মেট্রিক টন চাল দিয়েছে। সেখানে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। গত ১৬ ডিসেম্বর আমরা সেই চাল পেয়েছি।

অনুষ্ঠানে সচিব মো. মোহসীন, চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং ছাড়াও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর