নিজ বাড়িতে স্কুল পড়ুয়া ভাই-বোনের রক্তাক্ত মরদেহ | Daily Cox News
  • বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

নিজ বাড়িতে স্কুল পড়ুয়া ভাই-বোনের রক্তাক্ত মরদেহ

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২০
নিজ বাড়িতে স্কুল পড়ুয়া ভাই-বোনের রক্তাক্ত মরদেহ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দুই স্কুল শিক্ষার্থী সহদোর ভাই-বোনের হত্যার ঘটনায় এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
সোমবার রাতে এই হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়েছিল। পুলিশের একাধিক টিম এই হত্যাকান্ড রহস্য উদ্ঘাটনে ও হত্যাকারীদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে সোমরাতে অভিযান চালিয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহতদের মামা বাদল মিয়া পলাতক রয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ বলছে, নিহতদের মামা বাদল মিয়াকে আটক করা গেলে হত্যার প্রকৃত রহস্য বের হয়ে আসবে। ঠিক কি কারণে দুই সহোদর ভাই-বোন এক সাথে হত্যা করা হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত করতে পারছে না পুলিশ। জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা, পিবিআইসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক তদন্তকারী সংস্থাগুলো ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তথ্য উপাত্ত নেয়ার চেষ্টা করছে। হত্যার আগে স্কুল ছাত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। নিহতদের শরীরে বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুরো ঘটনাটি পরিকল্পিত বলে ধারণা করছে পুলিশ। নিহতদের পিতা-মাতা এখন বাঞ্ছারামপুর থানায় রয়েছে ।

এই ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। এর সাথে লেনদেন ও সম্পত্তি ছাড়া অন্য কোন বিষয় রয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পাশপাশি আসামী গ্রেপ্তারেও পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। লাশ দুটি ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দুই ভাই-বোনের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার সলিমাবাদ গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলো- সলিমাবাদ গ্রামের সৌদি আরব প্রবাস ফেরত কামাল উদ্দিনের ছেলে সলিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র কামরুল হাসান (১০) মেয়ে বাঞ্ছারামপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী শিফা আক্তার (১৪)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার বিকাল থেকে ছেলে কামরুল হাসানের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ছেলেকে না পেয়ে মা হাসিনা আক্তার মেয়ে শিপা আক্তারকে রান্নাঘরে রেখে ছেলের সন্ধানে যান। এই নিয়ে তাদের বাবা কামাল উদ্দিন এলাকায় মাইকিংও করেন। স্থানীয় থানা পুলিশকেও ঘটনাটি জানানো হয়। পরে ছেলের সন্ধান না পেয়ে বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন মেয়েও নিখোঁজ। পরে রাতে নিজ ঘরের দুই রুমের দুই খাটের নিচে তাদের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে রাত ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ