• সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
উখিয়ার ভালুকিয়ায় কবরস্থান দখলের প্রচেষ্টা উখিয়া থানা পুলিশের অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদককারবারী আটক উখিয়ায় অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি+) প্রকল্পের কাজ উদ্ধোধন আমি ক্ষমাপ্রার্থী : চকরিয়ার পৌর কাউন্সিলর রাশেদার বিবৃতি ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দেলোয়ারের বিদায় সোহাগ রানার বরণ অনুষ্ঠান উখিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে ইয়াবা ও স্বর্ণের বারসহ আটক-১ খুনিয়াপালং এর আব্দুল হক ইয়াবাসহ আটক,সহযোগী আব্দুর রহিম পলাতক উখিয়া প্রধান সড়ক চৌরাস্তার মোড়ে জেব্রা ক্রসিং স্থাপনের দাবি খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান আবদুল হক কোম্পানীর প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা ভাসানচরের পথে উখিয়া ছাড়লেন ৩৭৯ রোহিঙ্গা

পাপুল-সেলিনা দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট সময় : বুধবার, ১১ নভেম্বর, ২০২০
পাপুল-সেলিনা দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

শ্যালিকার অ্যাকাউন্টে ১৪৮ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনের ঘটনায় লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এমপি শহিদুল ইসলাম পাপুল এবং তার স্ত্রী সংরক্ষিত মহিলা এমপি সেলিনাসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

বুধবার (১১ নভেম্বর) সংস্থাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। চার আসামির বাকি দুজন হলেন পাপুলের শ্যালিকা সেজমিন প্রধান ও মেয়ে ওয়াফা ইসলাম।
গত মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে তাদের বিরুদ্ধে অর্থপাচার আইনে মামলার অনুমোদন দেয় দুদক।

দুদক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি মানব ও অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে কুয়েত পুলিশ গ্রেফতার করে। বর্তমানে পাপুল সে দেশের কারাগারে রয়েছেন। এই ঘটনা প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চালায় দুদক। এতে পাপুলের স্ত্রী, শ্যালিকাসহ বেশ কয়েকজনের নাম উঠে আসে।
দুদকের তদন্তে, মানবপাচারের টাকায় শ্যালিকা জেসমিন প্রধান এখন সম্পদশালী। কুয়েতে মানবপাচারের হোতা পাপুল অর্থ ও মানবপাচারের মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ আড়াল করতে শ্যালিকার অ্যাকাউন্টে রাখেন। শুধু তা-ই নয়, অবৈধ পথে অর্জিত বিপুল অর্থ বৈধ হিসেবে দেখাতে শ্যালিকা জেসমিনের মালিকানায় ‘লিলাবালি’ নামের একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠানও গড়ে তোলেন এমপি পাপুল। ওই প্রতিষ্ঠানের আড়ালে জেসমিন প্রধানের পাঁচটি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ২০১২ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত পাচার করা হয় ১৪৮ কোটি টাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর