পুলিশ কনস্টেবলের ট্রাঙ্কে মিলল ২৫ বোতল ফেনসিডিল | Daily Cox News
  • শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

পুলিশ কনস্টেবলের ট্রাঙ্কে মিলল ২৫ বোতল ফেনসিডিল

নিজস্ব প্রতিবেদন
আপডেট সময় : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০
পুলিশের পদোন্নতি পরীক্ষায় আমূল পরিবর্তন

পাবনা ঈশ্বরদী রেলওয়ে (জিআরপি) থানা কার্যালয়ের কম্পিউটার অপারেটর পুলিশ সদস্য (কনস্টেবল) মো. নাইম হোসেনকে ২৫ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রে’প্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ অক্টোবর) ওই পুলিশ সদস্যকে জে’লহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) রাতে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনের এলাকার পুলিশের ব্যারাকের মেস থেকে গ্রে’প্তার করা হয় তাকে।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার একাধিক পুলিশ সদস্য জানান, গত বুধবার রাজশাহী থেকে ঢালারচর অভিমুখী ঢালার চর এক্সপ্রেস ট্রেনে অ’ভিযান চা’লিয়ে ২৬৪ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মা’দক ব্যবসায়ীকে গ্রে’প্তার করা হয়। উ’দ্ধার করা ফেনসিডিলের ২৫ বোতল পুলিশের গাড়ি থেকে গো’পনে সরিয়ে নিজের ট্রাঙ্কে রাখার সময় ঘটনাটি ব্যারাকে থাকা অন্য এক কনস্টেবলের চোখে পড়ে। ঘটনাটি রেলওয়ে জে’লা পাকশীর পুলিশ সুপার শাহাব উদ্দিনকে সঙ্গে সঙ্গে অবহিত করেন তিনি।

ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিক অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে ঘটনাটি ত’দন্ত করার নির্দেশ দেন তিনি। পরে বৃহস্পতিবার রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাইমসহ পুলিশ সদস্যরা ব্যারাকে গিয়ে কনস্টেবল নাইমের ট্রাঙ্ক থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে গ্রে’প্তার করে। গ্রে’প্তার হওয়া কনস্টেবল নাইম হোসেন জি’জ্ঞাসাবাদে পুলিশ সুপারকে জানান, ওই ফেনসিডিল রেল থানার অফিসার ই’নচার্জ (ওসি) গোপাল কুমার দাস ও সেকেন্ড অফিসার রঞ্জন কুমার বিশ্বাসের নির্দেশে তিনি তার নিজস্ব ট্রাঙ্কে লুকিয়ে রাখেন। এ বি’ষয়ে ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার ওসি ও সেকেন্ড অফিসারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও ওসির ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে এবং সেকেন্ড অফিসার কল রিসিভ করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ