• শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
ব্রেইন টিউমার আক্রান্ত তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী টুম্পাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন! ফেসবুককে রোহিঙ্গাবিরোধী তথ্য দিতে নির্দেশ উখিয়ায় পাহাড়ের মাটি পাচারকালে ডাম্পার সহ আটক ১ বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৪ কোটি টাকা মূল্যের ইয়াবা উদ্ধার রাজধানীর প্রতিটি খাল সংরক্ষণ করা হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী করোনায় আবারও বাড়ল শনাক্ত ও মৃত্যু কক্সবাজারে ২১ কোটি টাকা মূল্যের ইয়াবা নিয়ে আটক ৫ রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক তাদের অবশ্যই ফিরে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের জন্য ১৫৮ মিলিয়ন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র উখিয়া প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাঃ সম্পাদকের দায়িত্ব অর্পণ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সড়ক ব্যবহারে নির্ধারিত ২ টাকা ফি দিতে নারাজ ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০
বাংলাদেশের সড়ক ব্যবহারে নির্ধারিত ২ টাকা ফি দিতে নারাজ ভারত

অর্থনীতিঃ(১) বাণিজ্য নগরী চট্টগ্রাম, মোংলা সমুদ্রবন্দর হয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তর দিয়ে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে পণ্য পরিবহনে সড়ক ব্যবহারের ফি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ভারত। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ প্রতি টন ভারতীয় পণ্য পরিবহনে কিলোমিটার প্রতি দুই টাকা ফি নির্ধারণ করেছে। কিন্তু ভারত এই ফি দিতে নারাজ। দেশটি ফি-মুক্ত অথবা স্বল্প ফি’তে পণ্য পরিবহন সুবিধা চায়।

(২) ২০১৮ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের সুবিধা পায় ভারত। এই দুই সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করার মাধ্যমে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারত পণ্য পাঠাবে তার উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে। তবে এজন্য তারা কোনো ফি দিতে নারাজ। জানা যায়, প্রথমে জাহাজে করে এনে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে পণ্য খালাস করা হবে। তারপর বাংলাদেশের আটটি সড়ক পথ ব্যবহার করে এসব পণ্য যাবে আসাম ও ত্রিপুরায়।

(৩) ইতোমধ্যে গত জুলাই মাসে পরীক্ষামূলকভাবে একবার এভাবে ত্রিপুরায় পণ্য পাঠিয়েছে ভারত। তবে পরীক্ষামূলক সেই ট্রানজিটের পর আর কোনো পণ্য বাংলাদেশের ও’পর দিয়ে যায়নি। বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ প্রতি টন পণ্য পরিবহনে কিলোমিটার প্রতি ২ টাকা করে নির্ধারণ করেছে। এতে করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ফেনী-কুমিল্লা হয়ে আখাউড়া বন্দর পর্যন্ত ২৩০ কিলোমিটার পথ যেতে ১৫ টন পণ্য পরিবহনে ভারতকে গুনতে হবে ৬ হাজার ৫৬০ টাকা। এই হিসেব অনুযায়ী নির্ধারণ হবে সবগুলো রুটের ট্রানজিট ফি। কিন্তু এতেই ভারতের আপত্তি।

(৪) এই জটিলতার কারণেই পরীক্ষামূলক পণ্য পরিবহনের পর গত পাঁচ মাস ধরে এটি বন্ধ আছে। ভারতের ভাষ্য, ফি একেবারেই থাকবে না, আর যদি থাকেও তাহলে সেটা হওয়া উচিত খুবই সামান্য। ইতোমধ্যে তারা এই আপত্তির কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ স’রকারের ঊর্ধ্বতন মহলকে।
তারপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন উপদেষ্টা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের দৃষ্টিকোণ থেকে ট্রানজিট ফি’র বি’ষয়টি আরেকবার বিবেচনা করার জন্য চিঠি দিয়েছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগকে (সওজ)।

(৫) সেই চিঠির উত্তরে সওজ জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তির ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী ট্রানজিট ফি আদা’য়ের সুযোগ রয়েছে। আর ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০১৪ সালের টোল নীতিমালা অনুযায়ী। সড়ক ব্যবহারের ফির বি’ষয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সড়ক পরিবহন স’চিব নজরুল ইসলামের সঙ্গে তার কার্যালয়ে বৈঠক করে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের উপ-হাইকমিশনার বিশ্বদ্বীপ দে’র নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল। ভারতের অর্থায়নে (এলওসি) চলমান প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়।

(৬) সড়ক ব্যবহারের ফি ছাড়াও পণ্য পরিবহনে ডকুমেন্ট চার্জ ৩০ টাকা, প্রতি টনে ট্রান্সশিপমেন্ট চার্জ ২০ টাকা, প্রতি টনে সিকিউরিটি চার্জ ১০০ টাকা, প্রতি টনে এস্কর্ট চার্জ ৫০ টাকা, প্রতি টনে প্রশাসনিক চার্জ ১০০ টাকা, প্রতি কনটেইনারে স্ক্যানিং ফি ২৫৪ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশের রাজস্ব বোর্ড। এ ছাড়া ইলেক্ট্রিক লক ও সিল বাবদ প্রতি টনে প্রথম ৪৮ ঘণ্টায় ৬০০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি ঘণ্টার জন্য ৫০ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। সড়ক ব্যবহারের মাশুল ছাড়াও ‘ইলেক্ট্রিক লক ও সিল’ ফি নিয়েও আপত্তি রয়েছে ভারতের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর