বিমানে যাত্রীর মৃত্যু হলে ক্ষতিপূরণ পাবেন ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা | Daily Cox News
  • শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০২:২০ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

বিমানে যাত্রীর মৃত্যু হলে ক্ষতিপূরণ পাবেন ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০
বিমানে যাত্রীর মৃত্যু হলে ক্ষতিপূরণ পাবেন ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা

আকাশপথে পরিবহনের সময় দু’র্ঘটনায় যাত্রী আ’হত বা নি’হত হলে এবং মালামাল ন’ষ্ট বা হা’রিয়ে গেলে ক্ষ’তিপূরণের পরিমাণ বাড়াতে জাতীয় সং’সদে আকাশপথে পরিবহন (মন্ট্রিল কনভেনশন) বিল-২০২০ পাশ হয়েছে।আজ মঙ্গলবার বেসা’মরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বিলটি সং’সদে পাসের প্রস্তাব করলে, কণ্ঠ ভোটে তা পাশ হয়। জানুয়ারি মাসে বিলটির বি’ষয়ে মন্ত্রীসভা অনুমোদন দেয়।

এর আগে, আকাশপথে পরিবহনের সময় যাত্রীর মৃ’ত্যু বা আ’ঘাতপ্রাপ্ত হলে ক্ষ’তিপূরণ ছিল ২০ লাখ ৩৭ হাজার ৬০০ টাকা। এই বিলে ক্ষ’তিপূরণ এক কোটি ৪০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কনভেনশনের আলোকে নতুন আইন না হওয়ায় কোনো দু’র্ঘটনার জন্য বর্তমানে প্রচলিত আইনে প্রাপ্ত ক্ষ’তিপূরণের পরিমাণ খুবই কম এবং তা আদা’য়ের পদ্ধতি অস্পষ্ট, সময়সাপেক্ষ ও জটিল।’

তিনি বলেন, ‘এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আকাশে চলাচলকারী যাত্রীর অধিকার সুরক্ষা ও মালামাল পরিবহন সুনিশ্চিতকরণ, যাত্রীর মৃ’ত্যুর কারণে পরিবারকে দেওয়া ক্ষ’তিপূরণ প্রায় ছয় গুণ বৃ’দ্ধি এবং আদায় পদ্ধতি সহজ করতে আইনটি প্রয়োজন।’

আকাশপথে পরিবহনের ক্ষেত্রে কোনো দু’র্ঘটনায় যাত্রীর মৃত্যু বা আ’ঘাতপ্রাপ্ত হলে এবং মালামাল নষ্ট বা হা’রানোর ক্ষেত্রে ওয়ারশ কনভেনশন-১৯২৯ এর আলোকে দেশে বর্তমানে প্রচলিত দ্য ক্যারেজ বাই এয়ার অ্যাক্ট-১৯৩৪, দ্য ক্যারেজ বাই এয়ার (ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন) অ্যাক্ট-১৯৬৬ এবং দ্য ক্যারেজ বাই এয়ার (সাপ্লিমেন্টারি কনভেনশন) অ্যাক্ট-১৯৬৮ আছে।

এই তিনটি আইনের আলোকে প্রাণহানি, আঘাত ও মালামাল ন’ষ্ট বা হা’রানোর ক্ষেত্রে ক্ষ’তিপূরণের পরিমাণ কম ছিল। এ অবস্থা পরিবর্তন করতে আন্তর্জাতিকভাবে ১৯৯৯ সালে মন্ট্রিল কনভেনশন গ্রহণ করা হয়। বাংলাদেশ ওই কনভেনশনে ১৯৯৯ সালেই সই করে।

মন্ট্রিল কনভেনশনের আলোকে নতুন আইন প্রণয়ন করলে মৃ’ত্যু, আ’ঘাত ও মালামাল হা’রানো বা ন’ষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ ক্ষ’তিপূরণ পাওয়া সহজ হবে।

নতুন আইন কার্যকর হলে ফ্লাইট বিলম্বের কারণে পরিবহনকারীর দায় ২০ ডলারের পরিবর্তে পাঁচ হাজার ৭৩৪ ডলার, মালামাল ন’ষ্ট বা হা’রানোর জন্য প্রতি কেজিতে ২০ ডলারের পরিবর্তে এক হাজার ৩৮১ ডলার এবং কার্গো বিমানের মালামাল ন’ষ্ট বা হা’রানোর জন্য প্রতি কেজিতে ২০ ডলারের পরিবর্তে ২৪ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

যাত্রীর মৃ’ত্যুর ক্ষেত্রে তার সম্পত্তির বৈধ প্রতিনিধিদের মধ্যে এ আইনের আলোকে ক্ষ’তিপূরণের অর্থ ভাগ করা যাবে। সংশ্লিষ্ট উড়োজাহাজ কর্তৃপক্ষ বা বিমা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে অথবা আ’দালতের মাধ্যমে ক্ষ’তিপূরণ আদায় করা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ