• শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আর্মড পুলিশের এএসআই নিহত আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবসময়ই অত্যন্ত শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ দল -কৃষিমন্ত্রী জয়পুরহাটে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তির কারাদণ্ড মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে রেলের জমি উদ্ধারে বাধা, রেলের এক্সাভেটরে দুর্বৃত্তের আগুন শেষ হলো সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন দেশে করোনায় আরও ৫১ জনের মৃত্যু ইভ্যালির সিইও রাসেল গ্রেপ্তার প্রবাস থেকে স্বামী আসার খবরে প্রেমিকের হাত ধরে পালালো এক সন্তানের জননী কোটবাজারে চাকবৈঠার ইব্রাহিম বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ র‍্যাবের হাতে আটক রত্নাপালং ইউপি নির্বাচন : চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ইমাম হোসেন

ভাসানচরে জীবনের খোঁজ

রাহীদ এজাজ
আপডেট সময় : শুক্রবার, ১ জানুয়ারী, ২০২১
ভাসানচরে জীবনের খোঁজ

মানব পাচারকারীদের খপ্পর থেকে উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গা তরুণ আয়াতুল্লাহ (ডানে)। ৯ মাস পর ভাসানচরে মা এলম বাহার, ছেলে আর ছোট ভাইয়ের সঙ্গে পুনর্মিলন ঘটেছে তাঁর। গতকাল সকালে
মানব পাচারকারীদের খপ্পর থেকে উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গা তরুণ আয়াতুল্লাহ (ডানে)। ৯ মাস পর ভাসানচরে মা এলম বাহার, ছেলে আর ছোট ভাইয়ের সঙ্গে পুনর্মিলন ঘটেছে তাঁর। গতকাল সকালে ছবি: রাহীদ এজাজ

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরের আবদ্ধ জীবনের কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে বিপজ্জনক নেশার ফাঁদে পড়েছিলেন দুই তরুণ দীন মোহাম্মদ আর আয়াতুল্লাহ। ধারদেনা করে দালালকে টাকা দিয়ে দুই রোহিঙ্গা তরুণ সাগরের বিপজ্জনক পথে পাড়ি দিতে চেয়েছিলেন মালয়েশিয়ায়। শেষ পর্যন্ত স্বপ্নের মালয়েশিয়ায় তাঁদের পা রাখার সুযোগ হয়নি। দীর্ঘ ৫১ দিন সাগরে ভাসার পর গত বছরের মে মাসে তাঁদের ঠাঁই হয় ভাসানচরে। কক্সবাজারে পরিবারের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন তাঁরা। ডিসেম্বরের ২৯ তারিখ দীর্ঘ সাত মাস পর পরিবারের সঙ্গে তাঁদের পুনর্মিলন ঘটেছে। নতুন করে জীবনের খোঁজ পেয়েছেন তাঁরা ভাসানচরে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে চরটির বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন জীবন খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা চোখে পড়েছে। ভোরের আলো ফোটার পর এখানকার জলাশয়গুলোর আশপাশে ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে মাছ ধরতে নেমেছেন নানা বয়সের রোহিঙ্গা পুরুষ।

আয়াতুল্লাহর গল্পটা আরও করুণ। দালালকে দেওয়া ২ লাখ ৮০ হাজার টাকার সঙ্গে ছোট টংদোকানটাও গেছে। আয়াতুল্লাহ জানান, মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা দেওয়ায় তাঁর স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে গেছেন। তাঁদের তিন বছরের ছেলে মার্চ থেকে দাদি এলম বাহারের সঙ্গে।
কক্সবাজার থেকে দীন মোহাম্মদ আর আয়াতুল্লাহর মালয়েশিয়ার গল্পটা মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়া অন্যদের মতোই। তারপরও গতকাল সকালে ভাসানচরে শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয় ভবনে তাঁর কাছে মালয়েশিয়া যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে দীন মোহাম্মদ বলেন, ‘ঘরে চার বোন বিয়ের উপযুক্ত। তাই বড় ভাই হিসেবে মালয়েশিয়ায় গিয়ে টাকা উপার্জনের চেষ্টা করেছিলাম। উখিয়ার কুতুপালংয়ে থাকার সময় ঈদগাহ এলাকার এক দালালের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার দালালকে মুঠোফোনের মাধ্যমে কয়েক দফায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়েছি। আর এই টাকার পুরোটা জোগাড় হয়েছে ধার করে। মার্চে যাত্রা শুরুর পর ৫১ দিন সাগরে ভেসে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যরা আমাদের বঙ্গোপসাগর থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন ভাসানচরে।’ কিন্তু বিচ্ছিন্ন ছিলেন স্ত্রী সানজিদা আর এক বছরের ছেলে সাদ্দামের কাছ থেকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর