• সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
উখিয়ার ভালুকিয়ায় কবরস্থান দখলের প্রচেষ্টা উখিয়া থানা পুলিশের অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদককারবারী আটক উখিয়ায় অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি+) প্রকল্পের কাজ উদ্ধোধন আমি ক্ষমাপ্রার্থী : চকরিয়ার পৌর কাউন্সিলর রাশেদার বিবৃতি ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দেলোয়ারের বিদায় সোহাগ রানার বরণ অনুষ্ঠান উখিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে ইয়াবা ও স্বর্ণের বারসহ আটক-১ খুনিয়াপালং এর আব্দুল হক ইয়াবাসহ আটক,সহযোগী আব্দুর রহিম পলাতক উখিয়া প্রধান সড়ক চৌরাস্তার মোড়ে জেব্রা ক্রসিং স্থাপনের দাবি খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান আবদুল হক কোম্পানীর প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা ভাসানচরের পথে উখিয়া ছাড়লেন ৩৭৯ রোহিঙ্গা

মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো ছেলেটি!

নুরুজ্জামান লাবু
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২০
মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো ছেলেটি!

ছেলেটির বয়স মাত্র ২০। মামার সঙ্গে সহযোগী হিসেবে মর্গে কাজ করতো সে। নাম মুন্না ভগত। কিন্তু জঘন্যতম একটি অপরাধের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ—মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো সে। সিআইডি কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন স্থান থেকে যেসব লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেওয়া হতো, সেসব লাশের মধ্য থেকে মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো মুন্না।

সিআইডির অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক সৈয়দ রেজাউল হায়দার বাংলা বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই ন্যক্কারজনক। শুক্রবার (২০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’

সিআইডি ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেফতার হওয়া মুন্না ভগত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম জতন কুমার লালের সহযোগী হিসেবে কাজ করতো। দুই-তিন বছর ধরে সে মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল। সম্প্রতি এরকম একটি অভিযোগ পেয়ে মুন্নার বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সিআইডি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না মৃত নারীদের ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

সিআইডির এক কর্মকর্তা জানান, মৃত নারীদের ধর্ষণ করা পৃথিবীর জঘন্যতম একটি কাজ। সুস্থ ও স্বাভাবিক কেউ এমন জঘন্যতম কাজ করতে পারে না। গ্রেফতার হওয়া মুন্না বিকৃত মানসিকতার। তা না হলে এমন কাজ তার করার কথা নয়।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে দায়িত্বরত ডোম ও মুন্নার মামা জতন কুমার লাল জানান, মুন্না গত দুই/তিন বছর ধরে তার সহযোগী হিসেবে মর্গে কাজ করতো। তার বাবার নাম দুলাল ভগত। গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাজারে। সে আরও দুই/তিন জনের সঙ্গে মর্গের পাশে একটি কক্ষেই রাতে থাকতো।

তিনি জানান, মুন্নাকে হঠাৎ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তার মোবাইল নম্বরও বন্ধ। একারণে তারা বৃহস্পতিবার সন্ধ‌্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নম্বর- ১২৩৬) দায়ের করেছেন।

মুন্নার বিরুদ্ধে মৃত নারীদের ধর্ষণের অভিযোগ প্রসঙ্গে জতন লাল কুমার বলেন, ‘মুন্না মাঝে মধ্যে গাঁজা বা নেশাটেশা করতো। কিন্তু এরকম একটি কাজ সে করতে পারে, তা ভাবতেই পারছি না।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর