ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জয় বায়ার্ন মিউনিখের | Daily Cox News
  • শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:০১ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জয় বায়ার্ন মিউনিখের

ডেস্ক নিউজ
আপডেট সময় : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২০
ম্যাচের একমাত্র ও জয়সূচক গোল দিয়ে কিংসলে কোমানের উল্লাস

১৯৯৩ সালের পর এই প্রথম ফ্রান্সের কোনো একটি দল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠল।

তাই ২৭ বছর পর শিরোপার এতো কাছাকাছি এসে তা হাতছাড়া করতে চাইবে না কোনো ফরাসী ক্লাব।

তাছাড়া জার্মানির সবচেয়ে শক্তিশালী দল বায়ার্নকে হারিয়ে ট্রেবল জয় অনন্যও বটে।

আর লিসবনের এস্তাদিও দা লুজ স্টেডিয়ামে ফুটবলের মহারণের রাতে নেইমার-এমবাপ্পেদের ইতিহাস লিখতে দিল না বায়ার্ন।

ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে জার্মান চ্যাম্পিয়নদের সমৃদ্ধ ইতিহাসে আরো একটি পতাকা গাড়ল হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা।

পিএসজিকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ঘরে তুলে নিল বায়ার্ন মিউনিখ।

রোববার রাতে ম্যাচে শুরু থেকে সমানে সমানে লড়েছে দুই দল। বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি করে দুই দলের খেলোয়াড়রা।

লিসবনে গোলশূন্য সমতা নিয়ে বিরতিতে গেছে দুই দল।

ম্যাচের ১৯ মিনিটেই লিড নিতে পারত পিএসজি। কিন্তু ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়নি নেইমারের।

এমবাপ্পের কাছ থেকে ডি বক্সে বল পেয়ে জালের উদ্দেশে পাঠালেও বায়ার্নের দেয়াল ম্যানুয়াল ন্যুয়ার এক পা বাঁধা দিয়ে কোনোমতে বলটা ফেরান। ফের টাচলাইন থেকে বলকে আলতো ছুঁয়ে গোলপোস্টের সামনে দেয়ার জোর চেষ্টা করেন নেইমার। এবারও ন্যুয়ারের কারণে নেইমারের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

এবার নেইমারের দুর্ভাগ্য এসে জমা হয় রবার্ট লেভানডোস্কির কপালে। ২২ মিনিটের সময় ডি বক্সের মধ্য থেকে শট নেন লেভা। পরাস্ত হন গোলরক্ষক কেইলর নাভাসও। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। গোলরক্ষকের ভূমিকায় দেখা যায় গোলবারকে।

পরের মিনিটেই বল ছুটে চলে যায় বায়ার্নের রক্ষণে। সংঘবদ্ধ আক্রমণে ফের সুযোগ আসে পিএসজির। কিন্তু ডি মারিয়ার উত্তেজিত শট পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যায়।

৩২ মিনিটে সহজ সুযোগ পায় বায়ার্ন। নাব্রির বুদ্ধিদীপ্ত ক্রস থেকে ডি বক্সে উড়ে আসা বলে হেড করে জালে জড়ানোর অভিনব এক শৈলি প্রদর্শন করেন লেভানডোস্কি। যদিও কেইলর নাভাস লেভার সেই হেডকে আর জালে জাড়াতে দেননি।

তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের এমবাপ্পের বোকামোকে হয়তো অনেকে পিএসজি সমর্থকের মেনে নিতে কষ্ট হবে। আন্দার এরেরার পাস থেকে মাত্র ১০ গজ দূরে বল পেয়েও কোনাকুনি না খেলে গোলরক্ষক বরাবর মেরে দেন ফরাসি স্ট্রাইকার।

যা লুফে নিতে কোনোই বেগ পেতে হয়নি কেইলর নাভাসের।

ফলাফল গোলশূন্য সমতা নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধে নেমে ফের শুরু হয় আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ। তবে এবার বায়ার্নকে একটু বেশি আক্রমণাত্মক দেখা গেছে।

পিএসজির ডেঞ্জার জোনে বল আক্রমণের ছক আঁকতে থাকে। ম্যাচের ৫৮ মিনিটের মাথায় আসে সফলতা।

ইভান পেরিসিকের তুলে দেয়া ক্রসে দুর্দান্ত হেড করে পিএসজির জালে বল জড়ান কিংসলে কোমান।

১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে উঠলেও আর সফল হতে পারেনি ফরাসিরা।

ফলাফল ১-০ ব্যবধানে জয় পায় বায়ার্ন মিউনিখ।

এ জয়ে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা ঘরে তুলল বায়ার্ন। এর আগে ১৯৭৪, ১৯৭৫, ১৯৭৬, ২০০১ ও ২০১৩ সালে মোট পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিল জার্মানির এই ক্লাব।

স্বদেশী ক্লাব মার্সেইয়ের পাশে নাম লেখাতে পারল না পিএসজি। ১৯৯৩ সালে প্রথম এবং শেষবারের মত চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতেছিল মার্সেই।

 

 

আরোও পড়ুন

 

 

রোববার ২৬৩ টেস্টে কক্সবাজারে ১১, ভিন্ন জেলায় ৭, পুরাতন ১ পজেটিভ

 

সূত্র★ দৈনিক যুগান্তর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেইসবুক পেইজ