• শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আর্মড পুলিশের এএসআই নিহত আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবসময়ই অত্যন্ত শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ দল -কৃষিমন্ত্রী জয়পুরহাটে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তির কারাদণ্ড মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে রেলের জমি উদ্ধারে বাধা, রেলের এক্সাভেটরে দুর্বৃত্তের আগুন শেষ হলো সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন দেশে করোনায় আরও ৫১ জনের মৃত্যু ইভ্যালির সিইও রাসেল গ্রেপ্তার প্রবাস থেকে স্বামী আসার খবরে প্রেমিকের হাত ধরে পালালো এক সন্তানের জননী কোটবাজারে চাকবৈঠার ইব্রাহিম বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ র‍্যাবের হাতে আটক রত্নাপালং ইউপি নির্বাচন : চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ইমাম হোসেন

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ-হত্যায় আটক তিন তরুণকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : শনিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২১
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ-হত্যায় আটক তিন তরুণকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

ঢাকায় ইংরেজি মাধ্যমে পড়ুয়া স্কুলছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আটক তিন তরুণকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গতকাল শুক্রবার রাতে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলেছে, স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ওই তিন তরুণের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। তবে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলার একমাত্র আসামি ও ছাত্রীটির বন্ধু ফারদিন ইফতেখার ওরফে দিহান গতকাল শুক্রবার আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি এখন কারাগারে।

এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে ওই স্কুলছাত্রীর লাশ আজ শনিবার ভোরে তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার গোপালপুরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কলাবাগান থানায় ফোন করে জানায়, এক তরুণ এক কিশোরীকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় এনেছেন। কিশোরীর শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছে। কলাবাগান থানার পুলিশ আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতাল গিয়ে ফারদিনকে আটক করে। খবর পেয়ে তরুণটির তিন বন্ধু হাসপাতালে গেলে পুলিশ তাঁদের আটক করে। এর আগে ফারদিন মেয়েটির মাকে ফোন করে জানান, আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতাল তাঁর মেয়ে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে।

গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে কলাবাগান থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ আনা হয় ফারদিনের বিরুদ্ধে। কলাবাগান থানায় জিজ্ঞাসাবাদে ফারদিন একাই মেয়েটিকে দর্শনের কথা স্বীকার করেন। পরে গতকাল তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশের নিউমার্কেট অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার আবুল হাসান প্রথম আলোকে জানান, প্রাথমিক তদন্তে ও জিজ্ঞাসাবাদে ফারদিনের তিন বন্ধুর হত্যায় ও ধর্ষণে সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। তাই তাঁদের তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। যদি হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনায় ওই তরুণদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর