• শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আর্মড পুলিশের এএসআই নিহত আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবসময়ই অত্যন্ত শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ দল -কৃষিমন্ত্রী জয়পুরহাটে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তির কারাদণ্ড মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে রেলের জমি উদ্ধারে বাধা, রেলের এক্সাভেটরে দুর্বৃত্তের আগুন শেষ হলো সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন দেশে করোনায় আরও ৫১ জনের মৃত্যু ইভ্যালির সিইও রাসেল গ্রেপ্তার প্রবাস থেকে স্বামী আসার খবরে প্রেমিকের হাত ধরে পালালো এক সন্তানের জননী কোটবাজারে চাকবৈঠার ইব্রাহিম বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ র‍্যাবের হাতে আটক রত্নাপালং ইউপি নির্বাচন : চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ইমাম হোসেন

৩২ জনের মধ্যে ১৫ কাউন্সিলর প্রার্থীই মামলার আসামি

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : বুধবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২১
৩২ জনের মধ্যে ১৫ কাউন্সিলর প্রার্থীই মামলার আসামি

বগুড়ার ধুনট পৌরসভা নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৩২ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৫ জন বিভিন্ন আইনে ৩৭টি মামলার আসামি।

এসব মামলার মধ্যে রয়েছে বিশেষ ক্ষমতা আইন, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, মারামরি, সংঘর্ষসহ রাজনৈতিক ঘটনায় দায়ের করা মামলা। এরমধ্যে ১১টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং ২৬টি মামলা থেকে তাদের খালাস দেয়া হয়েছে।

ধুনট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে প্রার্থীদের জমা দেয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

তৃতীয় ধাপে আগামী ৩০ জানুয়ারি ধুনট পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ৪ জন মেয়র, ১০ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ও ৩২ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জানা গেছে, ১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩ জন কাউন্সিলর প্রার্থী। এরমধ্যে মুনজিল হোসেনের নামে ১টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে এবং সোলাইমান আলীর নামে ১টি মামলায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

২ নম্বর ওয়ার্ডে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এরমধ্যে ওসমান গনির নামে ৩টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। রফিকুল ইসলামের নামে ৩টি মামলার দুটি বিচারাধীন ও ১টি থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে হেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১টি মামলায় তাকে খালাস দেয়া হয়েছে। রাজিবুজ্জামানের নামে ৮টি মামলার মধ্যে ১টি বিচারাধীন এবং ৭টি মামলায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সেলিম রেজার নামে ৪টি মামলার মধ্যে ২টি খালাস ও ২টি বিচারাধীন রয়েছে। শাহাজাহান আলীর নামে ১টি মামলায় তাকে খালাস দেয়া হয়েছে। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুর রাজ্জাক সেখের নামে ১টি মামলায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

ফারাইজুল ইসলামের নামে ৭টি মামলার মধ্যে ২টি বিচারাধীন ও ৫টি মামলায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। সামুছ উদ্দীন মল্লিকের নামে ১টি মামলায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

৭ নম্বর ওয়ার্ডে ২ জন প্রার্থীর মধ্যে আপাল সেখের নামে ১টি মামলায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এরমধ্যে আল আমিনের নামে ২টি মামলায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। ফোরহাদ হোসেনের নামে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে জাহাঙ্গীর আলমের নামে ২টি মামলায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর