• বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভাসমান লাশ রত্নাপালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগে রেকর্ড, টানা ৬ষ্ট বার সভাপতি আছহাব উদ্দিন মেম্বার উখিয়ায় সামাজিক সম্প্রীতি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভারত থেকে অবৈধপথে বাংলাদেশে আসছে রোহিঙ্গারা উখিয়ায় পাহাড় নিধন ও বনাঞ্চল উজাড়, শতাধিক বহুতল ভবন নির্মাণ চলছে আওয়ামীলীগের মাঠজরীপে আছহাব উদ্দিন মেম্বার আবারো জনপ্রিয়তার শীর্ষে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হাসপাতাল নয়, যেনো এক একটি রোহিঙ্গা প্রজনন কেন্দ্র। উখিয়ায় স্পেশাল সার্ভিসের ধাক্কায় টমটম বিলে আহত-৪ উখিয়া করইবনিয়ার নাছির ৩ কোটি টাকার ইয়াবা নিয়ে বিজিবির হাতে আটক একজন শিক্ষিত মায়ে-ই পারে একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দিতে-হামিদুল হক চৌধুরী

হাজী সেলিমের লোভের থাবা থেকে নিস্তার পাননি আপনজনও

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২০
বুড়িগঙ্গা নদীর তীর ভরাট করে হাজী সেলিমের পাথর ব্যবসা

ভাগনির সম্পদের লোভও ছাড়েননি তিনি। ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের কাছে তার দূর সম্পর্কের এক ভাগনি গিয়েছিলেন, নিজের জমি জটিলতা নিরসনে। সমাধান তো করেনইনি, উল্টো ভাগনির অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে, পুরো জমিই দখলে নিয়েছেন তিনি। দুদিন আটকে রেখে, শ্লীলতাহানির ভয় দেখিয়ে সই নেন খালি স্ট্যাম্প ও চেকে।

ভাগনির সমস্যায় মামা এগিয়ে আসবেন এটাই প্রত্যাশিত। কিন্ত এমনটা হয়নি লাকিয়া ইসলামের বেলায়।

রাজধানীর গোলাপবাগে শ্বশুরের দেয়া ১ কাঠা জমি নিয়ে জটিলতা। তা সমাধানে লাকিয়া ইসলাম, যিনি হাজী সেলিমের দূর সম্পর্কের ভাগনি শরণাপন্ন হয়েছিলেন মামার। ২০১৫ সালে এই জমি দেখতে সদলবলে উপস্থিত হন হাজী সেলিম।

কিন্তু সমাধানতো দূরের কথা উল্টো হাজী সেলিমকে ডেকে বিরাট বিপদে পড়েছেন তিনি। মামার কথা মতো পরিবার নিয়ে ওঠেন লালবাগের পোস্তায় মদিনা টাওয়ারে। চাকুরিও পান মদিনা গ্রুপে। দিন যায় মাস যায়, জমির সমস্যা নিরসন না করায় হাজী সেলিমকে বলেন চাকুরি ছেড়ে চলে যাবেন গোলাপবাগের বাসায়। তারপরই সংসদ সদস্যের ভিন্ন রূপ সামনে আসে লাকিয়া ইসলামের কাছে। দুইদিন আটকে রেখে জোর করে ৩শ’ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্প ও ৬টি ফাঁকা চেকে সই নেয় তার।

ওই ঘটনায় থানায় মামলা না নেয়ায় আদালতে মামলা করেন লাকিয়া ইসলাম। আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। যেখানে লাকিয়া ইসলামের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ।

যদিও মামলার ১ নম্বর আসামি ফরহাদ বাধন মৌ অস্বীকার করেন নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে।

লাকিয়া ইসলামের মামলায় তার পক্ষে আদালতে সাক্ষী দেন মদিনা গ্রুপের সেসময়ে মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান ফারজানা রেজা। এই ঘটনার রেশে চাকুরি থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাকে।

এই বিষয়ে জানতে হাজী সেলিম কিংবা মদিনা গ্রুপের একাধিক কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করেও কারো মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর