• শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ১০:০৮ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
রামু প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সভা কক্সবাজারে জব্দকৃত ৩শত কোটি ৯৬ লাখ টাকার মাদক ধ্বংশ উখিয়ায় শেড-এর উদ্যোগে শিশু উৎসব উদযাপন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভাসমান লাশ রত্নাপালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগে রেকর্ড, টানা ৬ষ্ট বার সভাপতি আছহাব উদ্দিন মেম্বার উখিয়ায় সামাজিক সম্প্রীতি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভারত থেকে অবৈধপথে বাংলাদেশে আসছে রোহিঙ্গারা উখিয়ায় পাহাড় নিধন ও বনাঞ্চল উজাড়, শতাধিক বহুতল ভবন নির্মাণ চলছে আওয়ামীলীগের মাঠজরীপে আছহাব উদ্দিন মেম্বার আবারো জনপ্রিয়তার শীর্ষে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হাসপাতাল নয়, যেনো এক একটি রোহিঙ্গা প্রজনন কেন্দ্র।

মাদককে না বলতে সাইকেলে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট সময় : রবিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২০
মাদককে না বলতে সাইকেলে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া

চার তরুণ মাদককে না বলতে এবং মাদকের বিরুদ্ধে জনমত গঠনের প্রচার অভিযানে নেমেছেন। অ্যাডভেঞ্চার ক্লাব রোপ-ফোর সংগঠনের উদ্যোগে এ মাসের ৬ তারিখ তেঁতুলিয়া থেকে শুরু হয় সাইক্লিং। তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে ১৩ নভেম্বর টেকনাফে গিয়ে শেষ হয় দেশব্যাপী সাইক্লিং অভিযাত্রা।

রোপ-ফোর সংগঠনের চেয়ারম্যান মারুফা হক জানান, কিশোর-তরুণদের মধ্যে মাদকের ভয়াবহতা জানাতেই এই উদ্যোগ। রোপ-ফোর মূলত বেশ কয়েক বছর ধরে দেশে ও বিদেশে পাহাড়ে অভিযাত্রা নিয়ে কাজ করে। মহামারির মধ্যে এগুলো বন্ধ থাকায় দেশের মধ্যে তারুণ্য ভাবনা নিয়ে এ কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে। দেশব্যাপী সাইকেলে করে এই বার্তাটিই ছিল- ‘মাদক-ধূমপানকে না বলি, স্বাস্থ্যকর জীবন গড়ি।’
সাইকেলে ৮ দিনে পুরো দেশ পাড়ি দেওয়া চার তরুণ হলেন হিবা শরাফুদ্দিন, কামরুল হাসান রায়হান, গোলাম মো. আদিল এবং আবরারুল আলম অর্ণব। তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ মোট ১ হাজার ৪ কিলোমিটার রাস্তা সাইকেলে পাড়ি দেন তারা। বাংলাবান্ধা থেকে নীলফামারি, বগুড়া, টাঙ্গাইল হয়ে ঢাকা থেকে কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে গিয়ে শেষ হয় সাইকেল যাত্রা। ক্রস কান্ট্রি এক্সপেডিশনে মাদকবিরোধী প্রচারণায়, এলাকাভিত্তিক সব মানুষের সাথে কথা বলেন তারা। এসময় স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, জনপ্রতিনিধি ও জনসাধারনের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া ও আতিথেয়তা পান অংশগ্রহনকারীরা।
রোপ-ফোর এর আরেক প্রতিষ্ঠাতা মহিউদ্দিন মাহি বলেন, ‘শুধু মাদক নয়, যেকোনো খারাপ অভ্যাস বা সঙ্গ থেকে কিশোর-তরুণদের দূরে রাখতে তাদের সামাজিক-সাংস্কৃতিক অথবা এরকম দুঃসাহসিক কাজে নিয়োজিত করা জরুরি।’ নিয়মিত শরীরচর্চা থেকে শুরু অ্যাডভেঞ্চার ট্রাভেলিংয়েও কিশোর-তরুণদের উৎসাহিত করার উপর জোর দেন তিনি। এজন্য সরকারী পর্যায় থেকেও উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান মাহি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর