• বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভাসমান লাশ রত্নাপালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগে রেকর্ড, টানা ৬ষ্ট বার সভাপতি আছহাব উদ্দিন মেম্বার উখিয়ায় সামাজিক সম্প্রীতি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভারত থেকে অবৈধপথে বাংলাদেশে আসছে রোহিঙ্গারা উখিয়ায় পাহাড় নিধন ও বনাঞ্চল উজাড়, শতাধিক বহুতল ভবন নির্মাণ চলছে আওয়ামীলীগের মাঠজরীপে আছহাব উদ্দিন মেম্বার আবারো জনপ্রিয়তার শীর্ষে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হাসপাতাল নয়, যেনো এক একটি রোহিঙ্গা প্রজনন কেন্দ্র। উখিয়ায় স্পেশাল সার্ভিসের ধাক্কায় টমটম বিলে আহত-৪ উখিয়া করইবনিয়ার নাছির ৩ কোটি টাকার ইয়াবা নিয়ে বিজিবির হাতে আটক একজন শিক্ষিত মায়ে-ই পারে একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দিতে-হামিদুল হক চৌধুরী

রামুতে শশুর বাড়িতে জামাই খুন; মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদন
আপডেট সময় : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
রামুতে শশুর বাড়িতে জামাই খুন; মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

কক্সবাজারের রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ফকিরামোরা এলাকায় শশুরবাড়িতে জামাই খুনের ঘটনায় মামলা রেকর্ড করেছে আদালত। মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশের অপরাধ অনুসন্ধান বিভাগকে (সিআইডি)। মামলা দায়েরের পর থেকে মামলা তুলে নিতে বাদীকে অনবরত হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত ৩ নভেম্বর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১, রামু এর আদালতে মামলাটি রেকর্ড করা হয়। মামলা নাম্বার ২৬২/২০২০। নিহতের ছোট ভাই সরওয়ার কামাল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মলা করার পর থেকে আসামীরা বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। মামলা তুলে না নিলে বাদীর পরিণতিও নিহত দেলোয়ারের মত হবে বলে হুমকি দিচ্ছেন। এই অবস্থায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাদী।
মামলার এজাহারে উল্লেখিত আসামীরা হলেন- ফকিরামোরা এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে রাহামত উল্লাহ (২৩), ছালামত উল্লাহ (২১), স্ত্রী দিলারা বেগম (৫২), মেয়ে রুবি আক্তার (২০) ও রেজিয়া আক্তার (২৪)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে দক্ষিণ মিঠাছড়ি ফকিরামোরা এলাকার মৃত শামসুল হকের মেয়ে খতিজা আক্তার লিমাকে (২৮) বিয়ে করেন কলাতলী এলাকার মৃত কালা মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেন। শশুরবাড়ির এলাকায় পেঁপে বাগানসহ বিভিন্ন ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন তিনি। গত ২৯ অক্টোবর ২০২০ রাত ১২ টার দিকে শশুর বাড়িতে যান দেলোয়ার। তাকে শশুরবাড়িতে দিয়ে আসেন কর্মচারী আনোয়ার।
পরেরদিন ৩০ নভেম্বর আনুমানিক দুপুর ১২ টার দিকে শশুরবাড়ি থেকে ফোন করে জানানো হয় দেলোয়ার হোসেন মৃত্যু বরণ করেছেন। ভাই সরওয়ার কামালসহ অন্যান্যরা দ্রুত গিয়ে দেখেন দেলোয়ারের লাশ শশুরবাড়ির রান্না ঘরে পড়ে আছে। এসময় তার পা বাকানো/মোড়ানো অবস্থায় ছিল। গলায় গুরুতর জখমের চিহ্ন ছিল।
মামলায় দাবী সরওয়ার কামাল উল্লেখ করেন, শ্যালক রাহামত উল্লাহ’র কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল তার ভাই দেলোয়ার। সেই টাকা আত্মসাৎ করার জন্য তার ভাইকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। অমানুষিক নির্যাতন করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে। তার ভাইয়ের হত্যাকারীদের কঠোর শাস্তি দাবী করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর