শিরোনাম :
রোহিঙ্গা নাগরিক ছাটাই করে এনজিওতে স্থানীয়দের চাকুরী দেয়া সহ ৭ দফা দাবিতে উখিয়ায় মতবিনিময় বঙ্গোপসাগরে ফিশিং ট্রলার ডুবিতে ৪ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ-৬ করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২২, শনাক্ত ৪৩৬ উখিয়ায় মুজিব শতবর্ষে প্রথম ধাপে ঘর পেলো ৩৫টি গৃহহীন ও ভুমিহীন পরিবার টেকনাফে ঘর পাচ্ছে ৬০ পরিবার উখিয়ায় গণমাধ্যমকর্মী আব্দুল হাকিমকে অপহরণ পূর্বক নির্যাতন: মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার ধরে নিয়ে যাওয়া ১৯ বাংলাদেশি জেলেকে ফেরত দিলো মিয়ানমার রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বড় উদ্যোগ নেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ উখিয়া কোটবাজারের ঐতিহ্যবাহী ক্বেরাত সম্মেলন কাল মুজিববর্ষে কক্সবাজারে ঘর পাচ্ছে ৮৬৫ পরিবার
রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন

কুরআন তেলাওয়াত-পর্দার কারণে মুসলিমদের গ্রেপ্তার করেছে চীন

আন্তজার্তিক ডেস্ক
আপডেট বুধবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২০
কুরআন তেলাওয়াত-পর্দার কারণে মুসলিমদের গ্রেপ্তার করেছে চীন

চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত, পর্দা করা বা হজ করতে যাওয়ার কারণে সেখানে বন্দি হয়েছেন অনেকেই। আজ বুধবার (৯ ডিসেম্বর) এসব তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা জিনজিয়াংয়ের আকসু অঞ্চলের দুই হাজারের বেশি বন্দির ফাঁস হওয়া একটি তালিকা বিশ্লেষণ করে তুর্কি মুসলিম নিপীড়নের ভয়াবহ চিত্র খুঁজে পেয়েছে। ইন্টিগ্রেটেড জয়েন্ট অপারেশন প্ল্যাটফর্ম (আইজেওপি) নামে পরিচালিত চীনের ওই অভিযানে কারও পারিবারিক সম্পর্ক, যোগাযোগ, ভ্রমণ বা চীনা কর্তৃপক্ষ সন্দেহভাজন মনে করে এমন কারও সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ার কারণে মুসলিমদের বন্দি করা হয়েছে।

এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে, মিস টি নামে জনৈক নারী বন্দি হয়েছিলেন, কারণ স্পর্শকাতর দেশের সঙ্গে তার যোগসূত্র রয়েছে বলে মনে করেছিল আইজেওপি। তালিকায় মিস টি স’ম্পর্কে বলা হয়েছিল, ২০১৭ সালের মার্চে একটি বিদেশি ফোন নম্বর থেকে চারবার কল পেয়েছিলেন তিনি। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ কল করে দেখেছে, সেটি মিস টির বোনের নম্বর।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আরো জানিয়েছে, ১৯৮০ দশকের মাঝামাঝি এক ব্যক্তিকে কোরআন শরিফ পাঠ করার কারণে বন্দি করা হয়েছিল। ২০০০ সালের শুরুর দিকে তিনি আবারও আটক হন। এবার অভিযোগ ছিল, ওই ব্যক্তি স্ত্রী’কে পর্দা করার অনুমতি দিয়েছেন।

মানবাধিকার সংস্থাটির তথ্য মতে, আকসু তালিকায় প্রায় ১০ শতাংশ, অর্থাৎ ২০০ জনেরও বেশি বন্দির বি’রুদ্ধে সন্ত্রাস বা উগ্রবাদের অ’ভিযোগ আনা হয়েছে। তবে তাদের অ’পরাধের বিষয়ে কোনও যু’ক্তিসঙ্গত তথ্যপ্রমাণ দেখায়নি চীনা কর্তৃপক্ষ।

জাতিসংঘের ধারণা, জিনজিয়াংয়ে পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দিশি’বিরগুলোতে ১০ লাখেরও বেশি তুর্কি মুসলিম আটক রয়েছেন। এদের মধ্যে বেশিরভাগই উইঘুর সম্প্রদায়ের। সমাজকর্মীদের মতে, তুর্কি মুসলিমদের জাতিগত ও ধর্মীয় পরিচয় সম্পূর্ণ মুছে ফেলতে এবং চীনা সরকারের ওপর বিশ্বস্ত রাখার লক্ষ্যেই পরিকল্পিতভাবে এ বন্দিদশা সৃষ্টি করা হয়েছে। যদিও চীন বরাবরই এ অ’ভিযোগ অস্বীকার করেছে।


এ জাতীয় সংবাদ