বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:১১ অপরাহ্ন

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২০
রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে আশ্রয় দিলেও মিয়ানমারেই ফিরতে হবে

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জীবিকা নির্বাহ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো মৌলিক সুবিধার বিষয় নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্র বলেছে রোহিঙ্গারা যেন স্বাধীনভাবে কক্সবাজার থেকে ভাসানচরে আসা-যাওয়া করতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। বৃহস্পতিবার এক বার্তায় এ উদ্বেগ জানায় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তর ইস্যুতে জাতিসংঘের অবস্থানের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, এ ধরনের যে কোনো স্থানান্তর অবশ্যই স্বেচ্ছায় হতে হবে। বার্তার বেশিরভাগ অংশেই রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার সংরক্ষণে বাংলাদেশকে কী কী করা উচিত তা নিয়ে পরামর্শ দেয়া হয়ে হয়েছে। যদিও বার্তার একাংশে রোহিঙ্গাদের ফেরত যাওয়ার জন্য রাখাইনে সহায়ক পরিবেশ তৈরির জন্য মিয়ানমারকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে, ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের বসবাস উপযোগী পরিবেশ নিশ্চয়তার জন্য আবারও স্বাধীন ও স্বতন্ত্র মূল্যায়ন করতে দিতে বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি টম আন্দ্রেয়স এ আহ্বান জানান।

এ সময় তিনি রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বিশ্ব নেতারা ব্যর্থ হয়েছে বলেও অসন্তোষ জানিয়েছেন।

এর আগে, নির্যাতন ও নিপীড়নের মুখে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের প্রথম দফা স্থানান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গেল ৪ঠা ডিসেম্বর ভাসানচরে পৌঁছেছে এক হাজার ৬শ’ ৪২ জন রোহিঙ্গা। স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের ৫টি জাহাজে করে ভাসানচরে নেয়া হয়।

ভাসানচরে পৌঁছার পর স্থানান্তরিত রোহিঙ্গারা উন্নত বাসস্থান ও পরিবেশের কথা জানিয়ে ক্যাম্পে রেখে আসা স্বজনদের ভাসানচরে আসার অনুরোধ জানায়। ভাসানচরে পৌঁছানোর পরই মোবাইল ফোনে ক্যাম্পে রেখে আসা স্বজনদের জানান সেখানকার উন্নত ও মুক্ত জীবনের কথা। ক্যাম্পের ঘিঞ্জি পরিবেশ থেকে ভাসানচরের পরিবেশ নিরাপদ বলেও জানায় রোহিঙ্গারা। স্বজনদের ভাসানচরে চলে আসার অনুরোধও জানায় তারা।


এ জাতীয় সংবাদ