শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের থানা নোয়াখালী ভাসানচর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক নিয়ে চীনের সন্তোষ উখিয়া বালুখালী ক্যাম্পের তৈয়ব ও তার সহযোগী বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ আটক উখিয়ায় মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ছাত্রলীগ নেত্রী রোমানার ভাই গুরুতর আহত লিংক রোডে র‌্যাবের হাতে ইয়াবা নিয়ে হোয়াইক্যংয়ের দুই মাদক কারবারীসহ আটক-৩ ভাসানচরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে স্বস্তি বোধ করছেন রোহিঙ্গারা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপহৃতের সঙ্গে নারীর ‘আপত্তিকর ছবি’ তুলে রাখতো তারা বছরের মাঝামাঝি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রাইভেট সিএনজি বাণিজ্যিকভাবে চালানো যাবে না : হাইকোর্ট বাহারছড়া কোস্টগার্ডের অভিযানে সাড়ে ১৭হাজার মিটার কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট
বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন

টেকনাফে থেমে নেই ইয়াবা কারবার

এম ফেরদৌস ( উখিয়া কক্সবাজার)
আপডেট শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২০
আটক

কক্সবাজার জেলার টেকনাফ পৌরসভা কাইউকখালী পাড়ায় অভিযান পরিচালনা করে ৯ হাজার,৬শত ৫০পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫।

আটককৃত হলেন,সাবরাং পেন্ডল পাড়া ৫ নং ওয়ার্ডের আব্দুস সালামের পুত্র হেলাল উদ্দিন (২৭) ও
নুর মোহাম্মদ (২০), পিতা-মৃত হোসেন আহাম্মদ, সাবরাং রুহুল্লার ডেপার স্থায়ী বাসিন্দা।

শনিবার ( ১৯ ডিসেম্বর) ১১ টার দিকে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন টেকনাফ কাইউকখালী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের সহকারী পরিচালক ( মিডিয়া অফিসার) আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী।

তথ্যসূত্রে জানা যায়,, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কতিপয় মাদক কারবারী কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন পৌরসভাস্থ কাইউকখালী পাড়ার বাঁেশর গুদামের সামনের পাঁকা রাস্তার উপর মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এর একটি চৌকশ আভিযানিক দল উপরোক্ত স্থানে পৌঁছালে র‌্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারীরা অটোরিক্সা এবং মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে আটক করা হয়

গ্রেফতারকৃত আসামীদের পালানোর কারণ জিজ্ঞাসা করলে তারা কোন সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি এবং তাদের আচরন সন্দেহজনক মনে হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে ধৃত আসামীদের মোটরসাইকেলের সীটের নিচ হতে সর্বমোট ৯,৬৫০ (নয় হাজার ছয়শত পঞ্চাশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকা হতে ইয়াবা সংগ্রহ করে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রয় করে আসছে।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাংলাদেশে ইয়াবা প্রবেশের অন্যতম স্থান টেকনাফ থেকে প্রতিনিয়ত দেশের বিভিন্ন স্থানে গেছে ইয়াবার চালান। এসব ইয়াবা পরিবহনে কৌশলও পাল্টেছে মাদক ব্যবসায়ীরা।
নিত্য নতুন কৌশল অবলম্বন করে ইয়াবা পরিবহন করে আসছে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছে এসব ইয়াবার চালান।


এ জাতীয় সংবাদ