বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:০৫ অপরাহ্ন

তিউনিসিয়া উপকূলে অভিবাসীবোঝাই নৌকাডুবিতে ২০ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০
তিউনিসিয়া উপকূলে অভিবাসীবোঝাই নৌকাডুবিতে ২০ জনের মৃত্যু

তিউনিসিয়ার উপকূলে গতকাল বৃহস্পতিবার অভিবাসীবাহী একটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ২০ জন মারা গেছেন। ইতালির ল্যাম্পাডুসায় যেতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। তিউনিসিয়ার একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এ তথ্য জানান। খবর রয়টার্স ও বিবিসির।

নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী আয়ারি বলেন, নৌকা ডুবে যাওয়ার পর তিউনিসিয়ার কোস্টগার্ড পাঁচজন অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় ২০ জনের মতো নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের সন্ধানে অভিযান চালানো হচ্ছে।

এই কর্মকর্তা আরও বলেন, তিউনিসিয়ার বন্দর নগরী সফ্যাক্সের সমুদ্র উপকূল থেকে প্রায় ৬ মাইল দূরে নৌকাটি ডুবে যায়। এ পর্যন্ত ২০ জনের লাশ পাওয়া গেছে। উদ্ধার করা হয়েছে পাঁচজনকে। নৌকাটিতে প্রায় ৪৫ জন আরোহী ছিলেন। এই অভিবাসীরা সবাই সাব–সাহারা আফ্রিকা অঞ্চলের বাসিন্দা।

গণ–অভ্যুত্থানে সাবেক স্বৈরশাসক জাইন আল–আবিদিন বেন আলী ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিউনিসিয়া হয়ে বিভিন্ন দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ইউরোপ পাড়ি জমানোর ঘটনা ২০১১ সাল থেকে কমে গিয়েছিল। তবে জাতিসংঘ বলেছে, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে তিউনিসিয়া হয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে অভিবাসীদের পাড়ি জমানোর ঘটনা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫০ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে।

আলী আয়ারি বলেন, জরাজীর্ণ অবস্থা ও অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে যাত্রা করায় সাগরে প্রচণ্ড বাতাসের ধাক্কায় নৌকিটা ডুবে গিয়ে থাকতে পারে।

সংঘাত এবং দারিদ্র্যের কবলে পড়ে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশী মানুষের ইউরোপ পাড়ি জমানোর ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পথ হয়ে উঠেছে তিউনিসিয়ার এই সফ্যাক্স উপকূল। উন্নত জীবনের প্রত্যাশায় প্রতিবছর ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন হাজার হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী।

জরাজীর্ণ অবস্থা ও অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে যাত্রা করায় সাগরে প্রচণ্ড বাতাসের ধাক্কায় নৌকিটা ডুবে গিয়ে থাকতে পারে।

আলী আয়ারি, তিউনিসিয়ার কোস্টগার্ডের মুখপাত্র

গণ–অভ্যুত্থানে সাবেক স্বৈরশাসক জাইন আল–আবিদিন বেন আলী ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিউনিসিয়া হয়ে বিভিন্ন দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ইউরোপ পাড়ি জমানোর ঘটনা ২০১১ সাল থেকে কমে গিয়েছিল। তবে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা বলেছে, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে তিউনিসিয়া হয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে অভিবাসীদের পাড়ি জমানোর ঘটনা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫০ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে।

তিউনিসিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, গত জানুয়ারি থেকে গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়ে ভূমধ্যসাগর হয়ে বিদেশে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টাকালে ৮ হাজার ৫৮১ জনকে আটক করা হয়েছে।


এ জাতীয় সংবাদ