মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২১, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন

খুঁজে পাওয়া গেল না সেই ‘সিনিয়র অফিসারকে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০
কবর থেকে তোলা হবে রায়হানের লাশ

সিলেটের বন্দরবাজারে পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান আহমদকে হত্যা ঘটনার তদন্ত শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আলোচিত এ ঘটনায় বরখাস্ত উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁঞাকে মূল অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। আকবর ধরা পড়ার আগে এ ঘটনায় গ্রেপ্তার পুলিশের তিনজন সদস্য, রায়হানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা এক ব্যক্তি ও আকবরকে পালাতে সহায়তা করা একজনসহ ছয়জনকে অভিযোগপত্রে আসামি করার কথা জানিয়েছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

তবে ধরা পড়ার পর এসআই আকবর বলেছিলেন, এক ‘সিনিয়র অফিসারের’ প্ররোচনায় তিনি পালিয়েছিলেন। তবে তদন্তে পুলিশ তাঁর পালানোর পেছনে নিজেদের কোনো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা পায়নি।

পিবিআই সিলেটের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ উজ জামান প্রথম আলোকে বলেন, ভিসেরা প্রতিবেদন হাতে আসার পর ঘটনাটি হত্যা বলে প্রতীয়মান হয়। মামলার তদন্ত প্রায় শেষ। আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করতে তদন্ত কার্যক্রম গুছিয়ে আনা হচ্ছে। ছোট ছোট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, সামনের বছরের শুরুতেই প্রতিবেদন দাখিল করা যাবে।

সিলেট নগরীর আখালিয়ার বাসিন্দা রায়হানকে ১০ অক্টোবর মধ্যরাতে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। পরদিন ১১ অক্টোবর তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে রায়হানের স্ত্রীর করা মামলার পর মহানগর পুলিশের একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত করে ফাঁড়িতে নিয়ে রায়হানকে নির্যাতনের সত্যতা পায়।


এ জাতীয় সংবাদ