সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৯:২৯ অপরাহ্ন

টেকনাফে মাদক সিন্ডিকেট সদস্য ১লাখ ২২হাজার ইয়াবাসহ আটক

আশ্রয়দাতাকে আইনের আওতায় আনার দাবী

হুমায়ূন রশিদ
আপডেট বুধবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২১
টেকনাফে মাদক সিন্ডিকেট সদস্য ১লাখ ২২হাজার ইয়াবাসহ আটক

র‌্যাব-৭ এর সদস্যরা টেকনাফে মুরগীর খামারে অভিয়ান চালিয়ে ১লাখ ২২হাজার ১শ ৪০পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারীকে আটক করেছে। এই ঘটনার পর হতে চিহ্নিত ইয়াবা কারবারীদের বৈধ ব্যবসার আড়ালে এখনো অবৈধ তৎপরতা জিঁইয়ে রাখায় সচেতন মহলে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এসব চক্রকে আশ্রয় দাতাদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে।
সুত্র জানায়, গত ২৬জানুয়ারী রাতের প্রথম প্রহরের দিকে চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭ এর একটি চৌকষ একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ সদর ইউপির উত্তর লম্বরী হযরত ফাতেমা (রাঃ) আদর্শ নুরানী মাদ্রাসার পশ্চিমে মোহাম্মদ হোছনের পুত্র আহমদ কবিরের মুরগির খামারের দুচালা টিনের ঘরে অভিযানে যায়। এসময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে ঘরের মালিক আহমদ কবিরকে আটক করে। পরে ধৃত ব্যক্তির স্বীকারোক্তিতে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে তার ঘরে তল্লাশী চালিয়ে অভিনব কায়দায় লুকানো প্লাস্টিকের ড্রামের ভিতরে বিশেষ কায়দায় রক্ষিত ১লাখ ২২হাজার ১শ ৪০পিস ইয়াবাসহ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের পর জব্দকৃত ইয়াবাসহ ধৃত মাদক কারবারীকে টেকনাফ মডেল থানায় সোর্পদ করা হয়েছে বলে র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোঃ নূরুল আবছার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এদিকে স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,স্থানীয় প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক নেতাদের সাথে সখ্যতা রেখে চিহ্নিত মাদক কারবারী ৩জনের সিন্ডিকেট একটি বড় ধরনের ইয়াবার চালান এনে বিভিন্ন স্থানে মওজুদ করে। র‌্যাব-৭ খবর পেয়ে এই বড় ধরনের চালানের কিছু অংশ উদ্ধার করলেও অবশিষ্ট ইয়াবা এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। সীমান্তে মাদক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পথে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেও সীমান্ত অপরাধ পরিস্থিতির উন্নতির কথা স্বীকার করলেও হঠাৎ করে বিশেষ মহলের ছত্রছায়ায় থাকা এই মাদক কারবারীদের অপতৎপরতা সচেতনমহলে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। উক্ত সিন্ডিকেটকে আশ্রয় দানকারী প্রকৃত গডফাদারকে সনাক্ত করে দ্রæত আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে। #


এ জাতীয় সংবাদ