শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন

ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় মা-ছেলের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
1604674446.law banglanews24

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উত্তর দরিয়া দৌলত ইউনিয়নের মরিচাকান্দি থেকে ৪০ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় মা-ছেলেকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের দুজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত।

বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক সাবেরা সুলতানা খানম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দি গ্রামের কালা মিয়ার স্ত্রী ঝরনা বেগম (৫৪) ও তার ছেলে সুমন (২৮)।

রায় প্রদানকালে প্রধান আসামি ঝরনা বেগম পলাতক ছিলেন।
মামলার বিবরণে ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৭ নভেম্বর জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দিতে র‍্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ ঝরনা বেগম ও তার ছেলে সুমনকে আটক করে।

পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর অভিযানে মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত দুইটি স্পিডবোট আটক করা হয়। এ সময় পলাতক ফরিদ মিয়া ও সবুজ মিয়া নামের দুজনসহ মা-ছেলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

উক্ত মামলায় সবুজ মিয়ার সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাকে বাদ দিয়ে ৩ আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন পুলিশ। এরই মধ্যে ঝরনা বেগম ও তার ছেলে সুমন ছেলে জামিনে বের হয়। বুধবার রায় প্রদানকালে ছেলে সুমন মিয়া উপস্থিত হলেও মা ঝরনা বেগম পলাতক ছিলেন। আদালত সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে আদেশে মা-ছেলেকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। পলাতক ঝরনা বেগম গ্রেফতার বা আত্মসমর্পণের দিন থেকে তার সাজা কার্যকর হবে। অপর আসামি ফরিদ মিয়াকে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় মামলা থোকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

এ মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) অ্যাডভোকেট শরীফ হোসেন বলেন, এই মামলার রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক সঠিক ও যৌক্তিকভাবে এই রায় দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষ মনে করে। এতে মাদক ব্যবসায়ীদের অপকর্ম কমে আসবে।


এ জাতীয় সংবাদ