সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৯:৩০ অপরাহ্ন

মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফেরাতে গণবিক্ষোভে সংস্কৃতিকর্মী ও ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফেরাতে গণবিক্ষোভে সংস্কৃতিকর্মী ও ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীরা

গণতন্ত্র ফেরাতে মিয়ানমারে এবার গণবিক্ষোভে নেমেছে সংস্কৃতিকর্মী ও ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীগুলো। অব্যাহত আছে ধরপাকড়। সু চির ঘনিষ্ঠ রাখাইনের মুখ্যমন্ত্রী নাই পুও, স্টেট কাউন্সিলর বিষয়ক মন্ত্রী কায়ে তিন্ত সোয়েসহ এনএলডির ৬ শীর্ষ নেতাকে তুলে নিয়ে গেছে সেনাবাহিনী।

সেনা সরকারের পেশি শক্তিতেও দমানো যাচ্ছে না মিয়ানমার নাগরিকদের বিক্ষোভ। ষষ্ঠ দিনের বিক্ষোভে হাজারো মানুষের প্রতিবাদে অচল রাজধানী নেপিদোসহ বড় শহরগুলো। বিক্ষোভে নতুন মাত্রা যোগ করেছে গুলিতে আহত কিশোরী মায়া থোয়ে খিয়াং।

এর মধ্যেই জান্তা সরকারের ওপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষনা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকবেন সেনা সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা। অন্যদিকে কঠোর হবে পণ্য রপ্তানির ওপর নিয়ন্ত্রন। জব্দ করা হবে জান্তা সরকারের জন্য সহায়ক সকল আর্থিক সহায়তা।

জো বাইডেন বলেন, ‘সেনা অভ্যুস্থানের বিরোধিতা করেই এ আদেশ জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অর্থনৈতিক চাপে হলেও গণতন্ত্রের পথে ফিরে আসতে বাধ্য হবে সেনা সরকার। এ নিষেধাজ্ঞায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ১ বিলিয়ন ডলারের সহায়তাও হারাবে তারা।’

এদিকে বিশ্বসম্প্রদায়ের চাপের মুখে নিজেদের ভাবমূর্তী রক্ষাকরতে সাফাই গাইছে চীন। বলছে, আলোচনার মধ্য দিয়েই মিয়ানমারে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, ‘মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্ব। আশা করছি নিজস্ব সংবিধান মেনেই দ্রুত শান্তির পথে আসবে মিয়ানমার। পরিস্তিতি উস্কে দেয়ার দায়ে চীনকে দোষারাপ করছে বিশ্ব সম্প্রদায়; তবে এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন।’

নানামুখি চাপের মধ্যেই শীর্ষ নেতাদের ধড়পাকড় চালিয়ে যাচ্ছে জান্তা সরকার। বৃহস্পতিবার ভোর রাতেও সু চির ঘনিষ্ট মুখপাত্র, রাখাইনের মুখ্যমন্ত্রী নাই পুও সহ ৬ এনএলডি নেতাকে তুলে নিয়ে যায় সেনাবাহিনী। অভ্যুস্থানের প্রতিবাদ করায় এ পর্যন্ত আটক হয়েছে দুইশোর বেশি নাগরিক।


এ জাতীয় সংবাদ