শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন

ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজের ৩৩ ঘণ্টা পরও সন্ধান মেলেনি ৩ শ্রমিকের

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
মেঘনায় বরযাত্রীবাহী ট্রলারডুবি: নারী-শিশুসহ আটজন এখনো নিখোঁজ

নিখোঁজের ৩৩ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুড়িকাউনিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় কপোতাক্ষ নদে প্রবল স্রোতে উল্টে যাওয়া ট্রলার থেকে নিখোঁজ তিন শ্রমিকের এখনও সন্ধান মেলেনি।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উদ্যোগে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামালের উপস্থিতিতে আবারও শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। এদিকে, নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
এর আগে, সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক প্রতাপনগরের কল্যাণপুর এসে ক্ষতিগ্রস্ত নিখোঁজ তিন পরিবারের মাঝে মাথা পিছু ১০ হাজার টাকা, ৫০ কেজি’র এক বস্তা চাউল ও একটি করে কম্বল তুলে দেন।

এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন- আশাশুনি উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলীফ রেজা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ খান, প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন ও শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিল।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহনিয়া লঞ্চঘাট থেকে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত ভাঙা নামক স্থানে বালি ভর্তির জন্য খালি বস্তা ও শ্রমিকদের নিয়ে যাওয়ার সময় চালক আব্দুস সাত্তার ও ১৪ জন শ্রমিকসহ একটি ট্রলার প্রবল স্রোতে পড়ে উল্টে যায়। ট্রলার চালকসহ উদ্ধার হওয়া ১২ জন শ্রমিকের মধ্যে মাফুয়ার রহমানকে জায়গীরমহল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
সেসময় নিখোঁজ হওয়া শ্রমিক বাবুরালি সরদার, আব্দুল আজিজ ও শফিকুল ইসলামকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস ও ফায়ার সিভিল ডিফেন্স এবং ডুবুরিরা।
সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক তারেক হাসান ভূঁইয়া জানান, খুলনা থেকে ডুবুরি আনার পর দুপুর একটা থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। নদীতে প্রবল স্রোত থাকা ও আলো স্বল্পতার কারণে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় উদ্ধার অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হয়। বুধবার সকাল থেকে আবারও উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।


এ জাতীয় সংবাদ