• শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৯:৩৬ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
রামু প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সভা কক্সবাজারে জব্দকৃত ৩শত কোটি ৯৬ লাখ টাকার মাদক ধ্বংশ উখিয়ায় শেড-এর উদ্যোগে শিশু উৎসব উদযাপন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভাসমান লাশ রত্নাপালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগে রেকর্ড, টানা ৬ষ্ট বার সভাপতি আছহাব উদ্দিন মেম্বার উখিয়ায় সামাজিক সম্প্রীতি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভারত থেকে অবৈধপথে বাংলাদেশে আসছে রোহিঙ্গারা উখিয়ায় পাহাড় নিধন ও বনাঞ্চল উজাড়, শতাধিক বহুতল ভবন নির্মাণ চলছে আওয়ামীলীগের মাঠজরীপে আছহাব উদ্দিন মেম্বার আবারো জনপ্রিয়তার শীর্ষে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হাসপাতাল নয়, যেনো এক একটি রোহিঙ্গা প্রজনন কেন্দ্র।

‘কঠোর লকডাউন’ শিথিলের সিদ্ধান্তে খুশি নিম্নবিত্তরা

রিপোর্টার নাম :
আপডেট সময় : শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১
1619253509.LockDown 210423 31 Bn24 copy

চলমান কঠোর লকডাউন শিথিল করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে সব কিছু খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে খুশি নিম্নবিত্ত মানুষ। দরিদ্র এসব মানুষের ভাষ্য, করোনা মহামারি জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, কিন্তু দুই বেলা, দুমুঠো খাবারও আমাদের জন্য জরুরি।

শনিবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর বিভিন্ন এলাকার নিম্নবিত্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলে কঠোর লকডাউন শিথিলে তাদের স্বস্তির কথা জানা যায়।

শনিরআখড়া আরএস মার্কেটের একটি দোকানের কর্মচারী আবদুল বাতেন।

করোনা মহামারির দ্বিতীয় ধাক্কায় চলমান লকডাউনে মার্কেট বন্ধ রয়েছে।
আবদুল বাতেন বাংলানিউজকে বলেন, দোকান বন্ধ থাকলে আমাদের বেতন দিতে পারেন না মালিক।

অল্প কয়টা টাকা বেতন পাই সেটাও যদি না পাই তাহলে আমরা খাবো কি? মেস ভাড়া দেবো কোথা থেকে।
তিনি বলেন, করোনা মহামারি জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

কিন্তু নিজে এবং পরিবারের জন্য দুই বেলা দুমুঠো ভাত জোগাড় করাও আমাদের জন্য জরুরি।
বাতেন আরও বলেন, আমাদের বিপদ দুই দিকে। একদিকে করোনা ভাইরাস আমাদের জীবন কেড়ে নিতে ছুটে আসছে। অন্যদিকে লকডাউন দিলে ক্ষুধা-অভাব আমাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলছে।

কঠোর লকডাউন শিথিল করে সীমিত পরিসরে সব কিছু খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ দেন তিনি।

সরকার কঠোর লকডাউন শিথিল করলে আপনারা স্বাস্থ্যবিধি ঠিকমতো মানেন না কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে বাতেন বলেন, অনেকেই মানে না। যারা মানে না সরকার তাদের কঠোর শাস্তি দিতে পারে। তাহলেই সবাই সচেতন হতে বাধ্য হবে।

শনিরআখড়ার আরেক বাসিন্দা বেলাল হোসেন। তিনি দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন।

বেলাল বলেন, যাদের জমানো টাকা আছে অথবা বেশি টাকা আয় করেন লকডাউন তাদের জন্য সমস্যার কিছু না। কিন্তু যারা দিনমজুর, আমরা দুই দিন বেকার বসে থাকলে তৃতীয় দিন আমাদের ঘরে খাবার থাকে না।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের কাজ করার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, আমরা খুশি।

মাতুয়াইল কাজীরগাঁও এলাকার বাসিন্দা মোটর শ্রমিক তারেক হাসান বলেন, দিনের পর দিন ঘরে বেকার বসে থাকলে আমরা ক্ষুধায় মারা যাবো। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কিছু চালু থাকলে আমরা কিছুটা ভালো থাকবো।

লকডাউন শিথিল করার সিদ্ধান্তে নিজে খুশি বলে জানান তিনি।

গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মানা হয় না কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অনেকে মানে, অনেকে মানেন না। যারা মানবে না তাদের কঠোর শাস্তি দিলে সবাই যথাযথ ভাবে মেনে চলতে বাধ্য হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর