• বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভাসমান লাশ রত্নাপালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগে রেকর্ড, টানা ৬ষ্ট বার সভাপতি আছহাব উদ্দিন মেম্বার উখিয়ায় সামাজিক সম্প্রীতি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভারত থেকে অবৈধপথে বাংলাদেশে আসছে রোহিঙ্গারা উখিয়ায় পাহাড় নিধন ও বনাঞ্চল উজাড়, শতাধিক বহুতল ভবন নির্মাণ চলছে আওয়ামীলীগের মাঠজরীপে আছহাব উদ্দিন মেম্বার আবারো জনপ্রিয়তার শীর্ষে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হাসপাতাল নয়, যেনো এক একটি রোহিঙ্গা প্রজনন কেন্দ্র। উখিয়ায় স্পেশাল সার্ভিসের ধাক্কায় টমটম বিলে আহত-৪ উখিয়া করইবনিয়ার নাছির ৩ কোটি টাকার ইয়াবা নিয়ে বিজিবির হাতে আটক একজন শিক্ষিত মায়ে-ই পারে একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দিতে-হামিদুল হক চৌধুরী

কক্সবাজার আক্তার হত্যা : ১ জনকে ফাঁসি, ৪ জনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক।
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২২
Picsart 22 01 13 20 14 39 948

কক্সবাজার লারপাড়া এলাকার ঠিকাদার শাহাব উদ্দিন ও উখিয়া রত্নাপালং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিন কন্ট্রাঃ এর আপন ছোট ভাই আক্তার উদ্দিনকে গুলি করে হত্যা করেছিল কক্সবাজার সদর উপজেলার চান্দের পাড়ার কালু মাঝির পুত্র আবদুল খালেক (৩৫)।

হত্যার অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবদুল্লাহ আল মামুন ১ জনকে ফাঁসি ও ৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছেন। এছাড়া একই মামলার রায়ে অপর ৩ জন আসামীকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়। বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারি এ রায় প্রদান করা হয়েছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এডিশনাল পিপি এডভোকেট মোজাফফর আহমদ হেলালী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ : ২০০২ সালের ২৯ জুলাই দুপুর আড়াইটার দিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার লারপাড়া কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের দক্ষিণ পাশে ক্যাফে হায়দার হোটেলের নিকটে হোটেল মালিক শাহাব উদ্দিনের একটি গাড়ি আসামীরা ভিন্ন চাবি ব্যবহার করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ঠিকাদার শাহাব উদ্দিনের ছোট ভাই আক্তার উদ্দিন তাতে বাঁধা দেন। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে তুমুল বাকবিতন্ডা হয়। পরে এক ঘন্টা পর দুপুর সাড়ে ৩ টার দিকে আসামীরা এসে আক্তার উদ্দিন (৩৫) কে গুলি করে হত্যা করে।

এ ঘটনায় উখিয়ার রত্নাপালং এর মৃত জমির উদ্দিনের পুত্র সাবেক চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিন বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার এসটি মামলা নম্বর : ৫০/২০০৩ ইংরেজি। জিআর মামলা নম্বর : ২৪৮/২০০২ ইংরেজি।
অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী দেলোয়ার হোসাইন জানান, ২০০৩ সালের ৩ জুন মামলাটির চার্জ গঠন করা হয়। মামলার চার্জশীট ভুক্ত ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে আইও, চিকিৎসক সহ ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ, জেরা, আসামীদের আত্মপক্ষ সমর্থন, যুক্তিতর্ক সহ সকল বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। রায় ঘোষনার নির্ধারিত দিনে বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারি কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবদুল্লাহ আল মামুন মামলার ৮ জন আাসমীর মধ্যে ফৌজদারী দন্ডবিধির ৩০২ এবং ৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১ জনকে ফাঁসি ও ৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করে রায় ঘোষনা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামী ৫ জনের প্রত্যেককে ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রদান এবং অনাদায়ে আরো অতিরিক্ত ১ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া একই মামলার রায়ে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় ৩ জন আসামীকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়। ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামি আবদুল খালেক ও যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামী আমির হামজা জেল হাজতে রয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুন রায় ঘোষনার সময় তারা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী দেলোয়ার হোসাইন আরো জানান, মামলায় ফাঁসির আদেশ প্রাপ্ত আসামী কক্সবাজার সদর উপজেলার চান্দের পাড়ার কালু মাঝির পুত্র আবদুল খালেক (৩৫)। যাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয় তারা হলো : মোহাম্মদ কাজল, আমির হামজা, সলিম উল্লাহ ও আবদুল গাফফার। যারা বেকসুর খালাস পেয়েছেন তারা হচ্ছে-আবদুল জলিল, আশফাকুর রহমান মিল্কী, ওবায়দুল হক।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট মোজাফফর আহমদ হেলালী


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর