• শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी

রোহিঙ্গা ও এপিবিএন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে মাদক ব্যবসা : চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন

ডেস্ক রিপোর্ট, ডেইলী কক্স নিউজ।
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ, ২০২২
চেয়ারম্যান

এম ফেরদৌস ( উখিয়া-কক্সবাজার)::

এপিবিএন পুলিশ ও রোহিঙ্গারা জড়িয়ে ক্যাম্পে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে র‍্যাব প্রতিদিন অভিযান চালিয়ে ইয়াবা উদ্ধার করলেও এপিবিএন পুলিশ ক্যাম্পে দায়িত্ব পালন করেও কোন মাদক কারবারীকে আটক করছে না। বরং তাদের মাদক পাচারে সহযোগিতা করে যাচ্ছে । রোহিঙ্গাদের জন্য নতুন ঘর ও স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য এনজিও কর্তৃক বাজেট নিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে তাদের শত বছরের ভোগ দখলীয় জমিন কেড়ে নিচ্ছে।  তাদের মদদ দাতা হিসাবে ক্যাম্পের রক্ষক সিআইসিও এসব কর্মকান্ডের সাথে জড়িয়ে আছে। থাইংখালী বাজার চত্বরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও এনজিও আইএনজিওদের কাটা তারের ভিতর স্থানীয়া মানুষের জমি দখল ও নতুন ঘর নির্মাণের প্রতিবাদে পালংখালী নাগরিক অধিকার পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী এসব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে উখিয়া থাইংখালী বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জিউল করিম রিয়াদের সঞ্চালনায় নাগরিক অধিকার পরিষদের আহবায়ক তাহিজুল আকতার জুয়েলের সভাপতিত্বে এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান মোজাফফর আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক শাহরিয়ার শাকিল,যুগ্ম আহ্বায়ক ফাহিম উদ্দিন ফরহাদ, মোঃইব্রাহিম,আব্দুল গফুর মুন্না , মাহবুল আলম রুবেল,আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর বাপ্পি,বোরহান উদ্দিন,নুরুল আবছার শাহীন,শামুশুল আলম জিাহাদী, আব্দুল ওয়াহিদ মানিক, আমিরুল ফয়েজ ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যসহ অনেক মান্যগন্য ব্যাক্তিবর্গরা।

এসময় নাগরিক অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন বাপ্পি বলেন, মায়ানমান থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আমরা যেভাবে মানবতা দেখিয়ে স্থান দিয়েছে, কিন্তু তাদের স্থান দেওয়ায় আজ আমাদের জন্য কাল হয়ে দাড়িয়েছে। রোহিঙ্গাদের মদদ দাতা এনজিও আইএনজিওদের মন রক্ষার্থে ক্যাম্পের দায়িত্বরত প্রশাসন, এপিবিএন, সিআইসি, স্থানীদের উপর অমানবিক বর্বর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে দেখার কেউ নেই।

উল্লেখ্য, গত ৫ দিন আগে পালংখালী ইউনিয়নের ১২ নাম্বার ক্যাম্পে নতুন করে শেড নির্মাণে বাঁধা দেওয়ায় ছমুদা বেগম নামে এক স্থানীয় নারীকে ৩দিন ধরে অজ্ঞাত স্থানে আটকিয়ে রাখা হয়ছিল বলে সংশ্লিষ্ঠ ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি)’র বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি দেখা দেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর