• শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी
শিরোনাম
উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আর্মড পুলিশের এএসআই নিহত আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবসময়ই অত্যন্ত শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ দল -কৃষিমন্ত্রী জয়পুরহাটে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তির কারাদণ্ড মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে রেলের জমি উদ্ধারে বাধা, রেলের এক্সাভেটরে দুর্বৃত্তের আগুন শেষ হলো সংসদের চতুর্দশ অধিবেশন দেশে করোনায় আরও ৫১ জনের মৃত্যু ইভ্যালির সিইও রাসেল গ্রেপ্তার প্রবাস থেকে স্বামী আসার খবরে প্রেমিকের হাত ধরে পালালো এক সন্তানের জননী কোটবাজারে চাকবৈঠার ইব্রাহিম বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ র‍্যাবের হাতে আটক রত্নাপালং ইউপি নির্বাচন : চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ইমাম হোসেন

পুলিশের নির্যাতনে অন্ধপ্রায় দুই সাংবাদিক

শহিদুল ইসলাম
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০
পুলিশের নির্যাতনে অন্ধপ্রায় দুই সাংবাদিক

পু’লিশের রো’ষানলে পড়ে তাদের নৃ’শংসতায় আজ অন্ধপ্রায় কক্সবাজার ও ময়মনসিংহের দুইজন সাংবাদিক। কক্সবাজারের টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের বি’রুদ্ধে প্র’তিবাদ করা মানেই ছিল ক্র’সফা’য়ার অথবা অ’কথ্য নি’র্যাতন। অপরদিকে ময়মনসিংহ জে’লা গো’য়েন্দা সংস্থা ডি’বি পুলিশের সাবেক উপ পরিদর্শক (এস’আই) আক্রাম হোসেনের কর্মকান্ডও ছিল প্রদীপের মতই ভ’য়ঙ্কর। সাধারণ মানুষের মত এই দুই পুলিশ কর্মকর্তার কবল থেকে র’ক্ষা পা’ননি দুইজন সাং’বাদিক। এদের একজন হলেন, কক্সবাজারের ফরিদুল মোস্তফা খান এবং ময়মনসিংহের সিনিয়র সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিক।

টেকনাফের ওসি প্রদীপ দাশের মা’দক সংশ্লিষ্টতা, মা’দক ব্যবসা, গ্রে’প্তার বাণিজ্য, ক্র’সফা’য়ার এসব অ’পরাধমূলক সংবাদ প্রকাশের জের ধ’রে দৈনিক কক্সবাজারবাণী ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল জনতারবাণী ডটকম এর সম্পাদক ও প্রকাশক ফরিদুল মোস্তফার বি’রুদ্ধে দা’য়ের করা হয় ৬টি মি’থ্যা মা’মলা। এসব মা’মলায় তাকে থাকতে হয় দীর্ঘ ১১ মাস ৪ দিন কা’রাগারে। এর আগে চা’লানো হয় তার উ’পর অ’কথ্য নি’র্যাতন।

অপরদিকে ময়মনসিংহ জে’লা গো’য়েন্দা সংস্থা ডি’বি পু’লিশের এস’আই আক্রাম হোসেনের বি’রুদ্ধে মা’দক সংশ্লিষ্টতা, মা’দক ব্যবসা, গ্রে’প্তার বাণিজ্য এসব অ’পরাধমূলক সংবাদ প্রকাশের জে’র ধ’রে দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক খায়রুল আলম রফিকের বি’রুদ্ধে দা’য়ের করা ৩টি মা’মলায় পু’লিশ কর্তৃক গ্রে’ফতার হয়ে দীর্ঘ দুই মাস থাকতে হয় ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কা’রাগারে। এর আগে তার চো’খ বেঁ’ধে অ’কথ্য নি’র্যাতন করে এস’আই আক্রাম হোসেন।

জানা যায়, প্রদীপের বি’রুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় ২০১৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর এলাকার (১ নম্বর সেকশনের শাহ আলীবাগের প্রতীক হাসনাহেনা) ভাড়া বাসা থেকে ফরিদুল মোস্তফাকে ধ’রে টেকনাফ থানায় নিয়ে তার ও’পর অ’মানুষিক নি’র্যাতন চা’লায় প্রদীপ কুমার। সে সময় তার চোখে মরিচের গুঁড়া দিয়ে নি’র্যাতন করায় বর্তমানে দু’টি চোখই ন’ষ্ট হওয়ার উপক্রম। তার হা’ত-পা ভে’ঙে গুঁ’ড়িয়ে দেয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ফরিদুল মোস্তফা খানকে পুলিশ হেফাজতে লো’মহর্ষক নি’পীড়ন করা হয়। তাকে ক্র’সফা’য়ারে দেয়ার প’রিকল্পনা করে ওসি প্রদীপ। পানির পরিবর্তে প’শ্রাব খাওয়ানো হয়। নি’র্যাতনে তার চোখ ফুলে যায়। এসব প্রত্যক্ষ করে সারাদেশের সাংবাদিকরা ফুঁ’সে উ’ঠে। তারা মা’নববন্ধন ও এবি’ষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে। বিডি২৪ লাইভ ও দৈনিক আমাদের কন্ঠে সংবাদ প্রকাশ হলে আন্দোলন শুরু হয়। ২৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র সম্পাদক বনেক কেন্দ্রীয় কমটির পক্ষে তাদের বি’রুদ্ধে দা’য়ের করা মা’মলাগু’লি প্র’ত্যাহারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর বরাবর লিখিত আবেদন করে।

ময়মনসিংহ জেলা গো’য়েন্দা সংস্থা ডি’বির এসআই আক্রাম হোসেনের বি’রুদ্ধে নিজের সোর্স দিয়ে মা’দক ব্যবসা, গ্রে’প্তার বাণিজ্যসহ বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশের জে’র ধরে এসআই আক্রাম দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন সম্পাদক খায়রুল আলম রফিকের উপর ক্ষু’দ্ধ হয়। তার রো’ষানলে নৃ’শংসতার শি’কার হন সাংবাদিক রফিক।

২০১৮ সালে সংবাদ প্রকাশের জেড় ধরে ঐবছরের ২৯ নভেম্বর খায়রুল আলম রফিককে গ্রে’প্তার করে এসআই আক্রাম হোসেন। গ্রে’প্তার করার পর থেকেই খায়রুল আলম রফিকের চো’খ বেঁ’ধে অ’মানুষিক নি’র্যাতন চা’লানো হয়। নি’র্যাতনের ছবি তুলে প্র’তিপক্ষের হাতেও তুলে দেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। এসব ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর রফিককে আ’সামি করে তার বি’রুদ্ধে দা’য়ের করা হয় মা’মলা। চলতি সপ্তাহে রফিকের চো’খবাঁ’ধা ছবি আবারও ভাইরাল হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন মহলে নি’ন্দার ঝর উঠেছে ।

সাংবাদিক মহলে খায়রুল আলম রফিক জানান, ২০১৮ সালের ২৯ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গেইটের বিপরীত দিকে আমি অবস্থান করছিলাম। এসআই আক্রামের নেতৃত্বে ডি’বি পুলিশ আমার চো’খ বেঁ’ধে একটি কালো গাড়িতে করে আমার পত্রিকার কার্যালয়ে নিয়ে যায়। সেখানে থাকা আমার জমি ক্রয়ের দলিল, ব্যাংকের চেক ও কম্পিউটার জ’ব্দ করে। দলিল ও ব্যাংক চেক এবং একটি স্যামসন মোবাইল প্র’তিপক্ষের কাছে তুলে দিয়ে জ’ব্দ দেখানো হয় শুধু কম্পিউটার। সেখান থেকে আমাকে নেয়া হয় দুর্গম চর এলাকায়। দুচোখ বেঁ’ধে দু হা’ত পেছনে বেঁ’ধে নি’র্যাতন চা’লানো হয় এসআই আক্রামের নে’তৃত্বে। এসময় আক্রামের মোবাইলে একজন ফোন করে বলে যে, এখন আর ক্র’সফা’য়ারে দেয়ার দরকার নাই। টিভিতে তাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হচ্ছে। এসআই আক্রাম তখন গা’লি দিয়ে বলে যে, সাংবাদিকের বা’চ্চা, অ’সভ্যের বা’চ্চা। তুই আজ বেঁ’চে গেলি। টেলিভিশনে সংবাদ হওয়ায় কারণে।

সেখান থেকে এসআই আক্রামের নে’তৃত্বে রফিককে নেয়া হয় ডি’বি কার্যালয়ে। ডি’বি অফিসে একটি আলমারির নিচে তাকে ফে’লে রাখে। রফিক তার চোখ বাঁ’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর